Press "Enter" to skip to content

নিজেই দাড়ি কেটে হিন্দুদের উপরে দোষ চাপিয়েছিল মুসলিম ব্যাক্তি! অবশেষে ধরা পড়ে কান ধরে ক্ষমা চাইল

দেশে হিন্দু মুসলিম সম্প্রীতি নষ্ট করার জন্য কিছু মানুষ এবং রাজনৈতিক দল উঠে পড়ে লেগেছে। আর দেশ জুড়ে হিন্দুদের বদনাম করার জন্যতো রাজনৈতিক দল গুলো সবসময় পা বাড়িয়েই রাখে। এরকমই এক মামলা সামনে এলো উত্তর প্রদেশের বাগপত জেলা থেকে। এক মুসলিম যুবক গরমের কারণে দিল্লীতে গিয়ে নিজের দাড়ি নিজেই কেটে ফেলে, আর শেষে নিজের দোষ ঢাকতে মুসলিম সম্প্রদায় এবং তাঁর পরিবারের কাছে জানায় যে, ট্রেনে হিন্দুরা তাঁকে মারধর করে তাঁর দাড়ি কেটে দিয়েছে। এমনকি এই ঘটনা প্রমাণ করার জন্য ওই মুসলিম যুবক নিজের জামা কাপড় ছিঁড়েও ফেলে।

বৃহস্পতিবার সকালে বাগপত জেলার বাসিন্দা মোহম্মদ ফারুকের ছেলে মুন্না দিল্লী যায়। দিল্লীতে পৌঁছে সে একটি সেলুনে গিয়ে নিজের দাড়ি কেটে ফেলে। পড়ে সে রাত দশটা নাগাদ বাগপতে নিজের বাড়ি এসে পৌঁছায়। আর সেখানে গিয়ে মুসলিম সম্প্রদায় আর তাঁর পরিবারের কাছে অভিযোগ করে বলে যে, হিন্দুরা ট্রেনে তাঁকে মারধর করে তাঁর দাড়ি কেটে দিয়েছে। পরিবারের মানুষ ওর কথায় বিশ্বাসও করে নেয়।

মুন্নার কথা বিশ্বাস করে, তাঁর পরিবারের মানুষ বিচার চেয়ে ট্যুইট করে উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এবং ইউপি পুলিশ সমেত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ এবং অনেক কয়েকটি মিডিয়াকে ট্যাগ করে দেয়। ট্যুইট করার পরেই পুলিশ নড়েচড়ে বসে প্রথমে ওই মুসলিম যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ চালায়। আর পুলিশের জেরায় যুবক নিজের দোষ স্বীকার করে নেয়। এরপর সে কান ধরে ক্ষমাও চায়।

এটাই প্রথম ঘটনা না। এর আগে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়িতে এমন এক ঘটনা দেখা গেছে। যেখানে এক মুসলিম ব্যাক্তিকে জোর করে জয় শ্রী রাম বলানো হচ্ছে বলে একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল। ওই ভিডিওতে মুসলিম ব্যাক্তিকে জয় শ্রী রাম বলার জন্য মারধর ও কান ধরে উঠবসও করানো হয়েছে দেখা গেছে। পুলিশ ওই ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যাক্তির তল্লাশিতে নেমে এক মুসলিম ব্যাক্তিকে গ্রেফতার করেছিল। ওই মুসলিম ব্যাক্তি আরেকজন মুসলিম ব্যাক্তিকে জোর করে জয় শ্রী রাম বলিয়েছিল আর সেটির ভিডিও বানিয়েছিল, যাতে দোষটা বিজেপি আর হিন্দুদের উপর চাপানো যায়।