Press "Enter" to skip to content

নিজের জেতা সর্বোচ্চ সন্মান অভিনন্দনকে উৎসর্গ করলেন কুস্তিবীর বজরং পুনিয়া

গত ১৪ই ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলার ঠিক ১২ দিন পর ১২ টি মিরাজ ২০০০ বিমান নিয়ে পাকিস্তানের আট কিমি ভিতরে ঢুকে ১০০০ কেজির বোমা নিক্ষেপ করে জৈশ এ মহম্মদ এর ঘাঁটি উড়িয়ে দিয়ে আসে ভারতীয় বায়ুসেনা। সেই ঘটনার বদলা নিতে পাকিস্তানের এফ-১৬ বিমান ভারতের বায়ু সীমা লঙ্ঘন করে নাশকতা চালানোর জন্য ভারতে ঢুকে পরেছিল।

কিন্তু আমাদের বায়ুসেনা সর্বদা সজাগ। আর তাঁর ফলে তাঁরা নাশকতা চালানোর আগেই ল্যাজ গুটিয়ে পালাতে শুরু করে। পাকিস্তানের বায়ুসেনার একটি বিমানকে তাড়া করতে করতে পাকিস্তান সীমার তিন কিমি ভিতরে ঢুকে জান আমাদের সাহসী পাইলট উইং কম্যান্ডার অভিনন্দন বর্তমান।

তিনি পাকিস্তানের ভিতরে ঢুকে পাকিস্তানের অত্যাধুনিক এফ-১৬ বিমান ধ্বংস করে দেন। এরজন্য ওনার বিমানের ও অনেক ক্ষতি হয়। ওনার বিমান পাকিস্তানের সীমান্তে ভেঙে পরে যায়। আর বিমান ভেঙে পড়ার আগেই তিনি প্যারাসুটের মাধ্যমে বিমান থেকে বেড়িয়ে জান।

কিন্তু উনি পাকিস্তানের সীমার মধ্যে পরায় ওনাকে গ্রেফতার করে পাকিস্তানি সেনা। চালানো হয় শারিরিক ও মানসিক অত্যাচার। কিন্তু ওনার মনোবল ভাঙতে ব্যার্থ হয় পাকিস্তান। শেষে ভারত সরকারের চাপে পরে উইং কম্যান্ডার অভিনন্দনকে ভারতের হাতে তুলে দেয় পাকিস্তান।

উইং কম্যান্ডার এর এই সাহসিকতার জন্য ভারতের কুস্তিবীর বজরং পুনিয়া তাঁর জীবনের জেতা এক অমুল্য পুরস্কার অভিনন্দন বর্তমানকে উৎসর্গ করেন। শনিবার আমেরিকার জর্ডন অলিভারকে ‘বুলগেরিয়ার ড্যান কোলভ-নিকোলা পেট্রোভে” ৬৫ কেজির কুস্তি বিভাগে হারিয়ে সোনা যেতেন বজরং পুনিয়া।

সোনা জয়ের পর বজরং বলেন, ‘ উইং কম্যান্ডার অভিনন্দনের অনুপ্রেরণায় আমি এই সোনা জিততে পেরেছি। তাই আমি ওনাকে এই সোনা উৎসর্গ করতে চাই। এবং একবার ওনার সাথে দেখা করে আমি হাত মেলাতে চাই। ” উইং কম্যান্ডার অভিনন্দনের এই সাহসিকতার চর্চা শুধু আমদের দেশেই না, এখন গোটা বিশ্বজুড়ে ওনার নামে জয়ধ্বনি দেওয়া হচ্ছে।

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.