Press "Enter" to skip to content

ছাত্রহত্যার প্রতিবাদে বাংলা বন‌্ধ সফল করতে এই পদক্ষেপ নিতে চলেছে বঙ্গবিজেপি।

উত্তর দিনাজপুরের দারিভিটেতে স্কুল পড়ুয়া খুনের দাবিতে রাজ্যজুড়ে বন্ধের ডাক দিয়েছেন। অন্যদিকে তৃণমূল শিবির প্রস্তুতি নিচ্ছেন বনধ প্রতিহত করার জন্য। সেই লক্ষ্যেই তৃনমূল কংগ্রেস তাদের নিজস্ব ভবনে এই দিন দলের বিভিন্ন মন্ত্রী দের নিয়ে জরুরি বৈঠক ডাকেন। উপস্থিত ছিলেন জেলাস্তরের পর্যবেক্ষকরাও। মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃনমূলনেত্রী মমতা ব্যানার্জি এই নিয়ে মুখ খুলেছেন। তিনি বিজেপির দিকে অভিযোগ তুলেছেন এর জন্য। তৃণমূলের করা এই মিথ্যা অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে এক সময়কার তৃণমূলের 2nd Man, বর্তমান নেতা পাল্টা হুঁশিয়ারির শুরে জবাব দিয়ে বলেছেন যে, এখানে থেকে সবাই বলছে যে গুলি চালিয়েছে পুলিশ আর উনি বিদেশে থেকে বলে দিচ্ছেন বিজেপি নাম।

এটা কেমন করে সম্ভব? তিনি আরএ বলেন, রাজ্যের এই স্বৈরাচারী সরকারের স্বৈরাচারী মনভাবের বিরুদ্ধে আমাদের বনধ। আমাদের ডাকা এই বনধ-এ মানুষ শামিল হবেন। সাধারণ মানুষ আমাদের এই বনধ-এ শামিল হয়ে স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাবেন।
এবং তিনি প্রশ্ন করেন যে, গুলিটি কে চালিয়েছে সেই জবাব সবার আগে রাজ্য সরকার দিক।

বিজেপি নেতাকর্মীরা ইতিমধ্যে রাস্তাতে নেমে পড়েছেন বনধকে সফল করতে। বিভিন্ন জায়গায় ইতিমধ্যে মিছিল শুরু হয়ে গিয়েছে বনধ-এর সমর্থনে। প্রতিটি জেলাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বনধ নিয়ে জোর কদমে প্রচার চালাতে। মিছিল গুলিতে দাবি তোলা হবে সিবিআই তদন্তের। বিজেপির এই উত্থানশক্তি দেখে, মানুষের মধ্যে বিজেপি গ্রহনের প্রবণতা দেখে তৃণমূল অবশ্য কিছুটা ভয় পেয়ে বলছেন যে, মানুষ বিজেপির এই ডাকে সাড়া দেবেন না।

বিজেপি বনধ এর ডাক দিয়ে জানিয়েছে যে, বনধ শুরু হবে সকাল ৬ টায় আর শেষ হবে সন্ধে ৬ টায়। কিন্তু বিজেপি মানুষের সুবিধার্থে মানুষের কথা ভেবে অত্যাবশ্যকীয় পরিসেবাকে অর্থাৎ চিকিৎসা ব্যাবস্থা সহ আরও বেশ কিছু পরিষেবা বনধ-এর আওতার বাইরে রেখেছেন। যাতে বন্ধ সফল করা যায় সেই কারণেই অত্যাবশ্যকীয় পরিসেবায় কোনো বন্ধ ডাকা হবে না বলে জানানো হয়েছে।

#অগ্নিপুত্র