Press "Enter" to skip to content

Bangla Bandh: বিজেপির ডাকে জনতার প্রচেষ্টায় বহু বছর পর সফল হলো বাংলা বনধ।

শুধুমাত্র বাংলা শিক্ষক চেয়েছিল ইসলামপুরের এক স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা। নিজের মাতৃভাষার শিক্ষকের দাবিতে শান্তিপূর্নভাবে প্রতিবাদ করেছিল কিন্তু এটা যে কিছু মানুষরূপী পিশাচের চোখে বড়ো অপরাধ তা বুঝতে পারেনি ছাত্রছাত্রীরা। তাই মাতৃভাষার জন্য গুলি খেয়ে প্রাণ দিতে হয় ২ ছাত্রকে। JNU তে দেশদ্রোহী ভাষণ উঠলে প্রশাসন গ্রেপ্তার পর্যন্ত করতে পারে না, কিন্তু এখানে শিক্ষক চাওয়ায় প্রাণ দিতে হয় ছাত্রকে। এমনকি ছাত্র হত্যার জন্য ঘটনার প্রতিবাদ জানতে গেলেও সম্মুখে দাঁড়িয়েও পড়ে বিশালাকায় উন্নয়ণ। জানিয়ে দি ইসলামপুরের ‘শিক্ষক চেয়ে ছাত্র হত্যা’ এর ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি করে । এর জন্য ১২ ঘন্টার বাংলা ের ডাকও দেওয়া হয়েছিল। এই ের জন্য বিজেপি সাধারণ মানুষের সহযোগিতা চেয়েচিল। একই সাথে তথাকথিত উন্নয়নবাদীদের বিরোধ থেকে দূরে থাকার জন্যও জানিয়েছিল।

জানিয়ে দি বিজেপির এই ১২ ঘন্টা বাংলা বনধে ওর ব্যাপক প্রভাব পড়েছিল হাওড়া, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বাঁকুড়া,উত্তর ২৪ পরগনা, হুগলির কিছু এলাকা,কলকাতার শহরতলি, দুই মেদিনীপুর,বহরমপুর ও উত্তরবঙ্গের শহরগুলিতে। এই বন্ধে উল্লেখ্য ব্যাপার ছিল যে, বনধে সাধারণ মানুষ নিজের ইচ্ছায় সহযোগিতা করেছিল। হাওড়া জেলার আমতা, উদয়নারায়নপুর, এলাকাগুলিতে গ্রামীণ এলাকা থেকে শহরমুখী বেসরকারি বাসগুলির একটাও চলতে দেখা যায়নি বলে জানা গিয়েছে।

Bengal Bandh
- বাংলা বনধ –

আমতা থেকে যে ১৬ টি রুটে বাস চলে সবগুলিই বাংলা বনধের সমর্থনে ছিল বন্ধ। ঝাড়গ্রাম ও পুরুলিয়ার মানুষ বিজেপি কার্যকর্তাদের সাথ দিয়ে প্রায় অচল করে রেখেছিল শহর ও গ্রামীণ এলাকাগুলি। আন্তর্জাতিক যানবাহন ছাড়া বাকি সমস্থ ক্ষেত্রে ও সমস্থ শাখায় বাংলা বনধের সমর্থনে বাস পরিষেবা ছিল বন্ধ। দক্ষিণ বঙ্গের ছোট শহরগুলিতে ছোটখাটো দোকান পাঠ ছিল বন্ধ। যদিও বড়ো শহরগুলিতে উন্নয়নবাহিনী ও কট্টরপন্থিদের কারণে বাংলা বনধে বাঁধা এসেছিল।

বাংলা বনধ- bengal bandh
bangla Bandh – Bengali News

বহু জায়গায় বিজেপির কার্যকর্তারা জনগণের সমর্থন চেয়ে রাস্তায় মিছিল করলে কট্টরপন্থী বাহিনী ও উন্নয়ন বাহিনী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বাধা প্রদান করতে এসে। বারাসাতের এক জায়গায় কট্টরপন্থী বাহিনী নিরীহ পুলিশের সামনেই বিজেপি মহিলা কর্মীদের লাথি পর্যন্ত মারে। সোনারপুর, বারুইপুর সহ এলাকাগুলিতে বাংলা বনধের সমর্থনে স্কুল বন্ধ যাওয়া বিরত রেখেছিল বহু সচেতন ছাত্রছাত্রীরা। বেশকিছু বেসরকারি স্কুল, কলেজও এই বাংলা বনধে পঠনপাঠন বন্ধ রেখেছিল।