Press "Enter" to skip to content

বাংলাদেশে হিন্দু যুবকের ফেসবুক Ac হ্যাক করে আল্লাহকে নিয়ে কু-মন্তব্য মুসলিম যুবকের! গুজবকে কেন্দ্র করে হামলা হিন্দুদের উপর।

বাংলাদেশিরা দাবি করে যে তারা বাঙালি তথা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জাতি। অথচ বাংলাদেশে কিভাবে হিন্দু মন্দির ভেঙে দেওয়া, হিন্দু নারী ধর্ষণ তথা সাম্প্রদায়িক ঘটনা ঘটে তা লুকিয়ে রাখা হয়। নিজেদের শ্রেষ্ঠ বলা বাংলাদেশিরা এই ঘটনাগুলিকেই সম্ভবত সভ্য সমাজের পরিকাঠামো বলে মনে করে। এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় বাংলাদেশিরা ভারতের হিন্দু বাঙালিদের ডাক দেয় ভারত থেকে আলাদা হয়ে বৃহত্তর ইসলামিক গঠনের জন্য। অবশ্য পশ্চিমবঙ্গেও একটা সংগঠন এখন সক্রিয় হয়েছে যারা বাংলা ভাষী ও হিন্দি ভাষীদের মধ্যে দ্বন্দ লাগিয়ে দেওয়ার উপর কাজ করছে। মূল উদেশ্য হিন্দুদের ঐক্য ভেঙে দেওয়া এবং বৃহত্তর ইসলামিক বাংলাদেশ গঠনের দিকে অগ্রসর হওয়া। ইসলামিক দেশ বাংলাদেশে হিন্দুদের অবস্থাকে লুকিয়ে রেখে ছড়ানো হচ্ছে ভাষা ভিত্তিক দ্বন্দ।

সম্প্রতি বাংলাদেশের ভোলায় যে ঘটনা সেটাকেও ব্যাপকভাবে গোপন করার চেষ্টা হয়েছে। ভোলায় এক মুসলিম যুবক হিন্দু যুবকের ফেসবুক একাউন্ট হ্যাক করে তার কাছে টাকার দাবি করে। এরপর টাকা না দিলে মুসলিম যুবক ফাঁসিয়ে দেওয়া হুমকি দেয়। কিন্তু তাতেও হিন্দু যুবকটি টাকা দেয়নি। এরপর মুসলিম যুবকটি হিন্দু ছেলেটির একাউন্ট থেকে নবী হজরত মহম্মদকে নিয়ে কু-মন্তব্য করে পোস্ট লিখে দেয়। এরপর এলাকার মানুষকে উস্কে দেওয়া হয় হিন্দুদের বিরুদ্ধে। বাংলাদেশি মুসলিমরা উত্তেজিত হয়ে বেরিয়ে পড়ে হিন্দুদের আক্রমন করতে এবং মন্দির ধ্বংস করতে।

 

পুলিশ ঘটনাকে আটকানোর জন্য নেমে পড়ে। তা সত্ত্বেও এই ঘটনায় ৪ জন নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রমান ছাড়াই শুধুমাত্র একটা গুজব শুনে কিভাবে বাংলাদেশিরা এতটা উগ্র হয়ে উঠতে পারে তাই নিয়ে প্রশ্নঃ উঠেছে। বাংলাদেশীদের দাবি আল্লাহ ও হজরত মহম্মদকে নিয়ে কু-মন্তব্য করা হয়েছিল। তারপর বিশাল সংখ্যায় মুসলিম জনতার ভিড় আক্রমন করতে বেরিয়ে পড়েছিল। জানিয়ে দি, বাংলাদেশিদের সোশ্যাল মিডিয়ায় উৎপাত লেগেই থাকে। কয়েকদিন আগেই সীমান্তের সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশিরা দাবি করে বলেছিল, আমরা বাঙালিরা যুদ্ধে ভারতীয়দের হারিয়ে দেব।

ঘটনার উপর শেখ হাসিনা কি বলেছেন দেখুন নীচের ভিডিওতে।

you're currently offline