“হিন্দুরা আইনভঙ্গকারী, কাশ্মীরে হিন্দুহত্যা নায্য”: বরখা দত্ত, সাংবাদিক।

এটা স্বীকার করতেই হবে যে প্ৰধানমন্ত্রী মোদী ক্ষমতায় আসার পর থেকে হিন্দুদের মধ্যে জাগ্রত ভাব এসেছে। নতুবা বছরের পর বছর ধরে কংগ্রেস, বামপন্থী ও তাদের ঘনিষ্ঠ সংবাদমাধমগুলি হিন্দুদের ভুল বুঝিয়ে শোষণ করেছে। কংগ্রেস ও বামপন্থী ঘনিষ্ঠ NDTV এর আজ অবস্থা করুন কারণ জাগ্রত হিন্দুরা NDTVকে প্রত্যাখ্যান করেছে। NDTV বরাবর হিন্দু বিরোধী এজেন্ডা চালিয়ে আজ নিজের দুর্দশা নিজেরাই ডেকে এনেছে। আজও এই সংবাদ মাধমগুলি কাশ্মীর সহ বিভিন্ন ইস্যুতে হিন্দু বিরোধী মন্তব্য করে। কাশ্মীর ভারতের অংশ এটা ঐতিহাসিক সত্য এবং ১৩ শতাব্দী পর্যন্ত কাশ্মীরে হিন্দুদের চিন্হ ছিল না। কিন্তু পরে কাশ্মীরে তথাকথিত ধর্মনিরোপেক্ষতাবাদী হিন্দু বেড়ে যাওয়ায় ইসলামে কাশ্মীরে ঢুকে যায়।

আজ কাশ্মীরে ইসলাম ছুঁচ হয়ে ঢুকে ফাল হয়ে বেরিয়ে গেছে এবং হিন্দুদের তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। কংগ্রেস শাসন আসার আগে অবধি কোনোভাবে হিন্দুরা টিকে ছিল কিন্তু নেহরু ক্ষমতায় আসতেই অর্ধেক কাশ্মীরকে পাকিস্থানীদের হাতে দিয়ে দেওয়া হয়েছিল। পরে বাকি কাশ্মীরে কট্টরপন্থীরা হিন্দুদের হত্যা করে, ধর্ষণ করে তাড়িয়ে দিয়েছিল। কিন্তু NDTV এই বরখা দত্ত এই হত্যাকান্ডকে ন্যায্য বলে দাবি করেছেন।

বরখা দত্ত ন্যাশনাল টিভিতে বসে হিন্দু হত্যাকে ন্যায্য বলে দাবি করেছিলেন। বরখা দত্ত বলেছিলেন, কাশমীরে মুসলিমরা খুব গরিব ছিল যাদের উপর হিন্দুরা অত্যাচার করতো। এই অত্যাচার থেকে বাঁচতে মুসলিমরা আক্রমণ করেছিল। বরখা দত্ত হিন্দুদের আইনভঙ্গকারী বলেও দাবি তুলেছেন। অর্থাৎ খোলাখুলি হিন্দু হত্যায় কট্টরপন্থীদের ক্লিন চিট দিয়ে দিয়েছেন এই সাংবাদিক।

আজ অবধি কাশ্মীরী হিন্দুরা বাড়ি ছাড়া, স্বজন হারা হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে কিন্তু বরখা দত্তের মতে এখানে হিন্দুরাই দোষী। জানিয়ে দি, কংগ্রেস আমলে এই সমস্ত সাংবাদিকদের সরকার নান এওয়ার্ড দিয়ে পুরস্কিত করা হতো। কারণ এই সাংবাদিকগণ কংগ্রেসের ইশারায় এজেন্ডা চালাতো।

Open

Close