Press "Enter" to skip to content

‘ভারত মাতা কি জয়’- মোদী ও অমিত শাহের সামনে এমন শ্লোগান দিলেন ফারুক আব্দুল্লাহ।

শনিবার দিল্লির ইন্দ্রিরা গান্ধী স্টেডিয়ামে স্বর্গবাসী পূর্ব প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীজিকে শ্রদ্ধাঞ্জলি দেওয়ার জন্য সর্বদলীয় পার্থনা সভার আয়োজন করা হয়েছিল। এই সভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ, আরএসএস প্রমুখ মোহন ভাগবত, বিরোধী দলের নেতা গোলাম নবী আজাদ, সহ বড়ো বড়ো নেতা নেত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। পার্থনা সভার সম্বোধন করে জম্মুকাশ্মীরের পূর্ব মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আব্দুল্লা দেশের পূর্ব প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীজি মহাশয়কে হিন্দুস্তানীদের মনের মালিক বলেন। ফারুক আব্দুল্লা অটল বিহারী বাজপেয়ীজি মহান মনের মানুষ বলেন এবং দেশবাসীকে উনার পথে চলার জন্য বলেন। এই সভা চলাকালীন ফারুক আব্দুল্লা এমন এক দিয়ে বসেন যা শোনার পর আসাউদ্দিন ওয়েসির মত কট্টরপন্থী নেতারা রেগে লাল হবে।

আসলে ফারুখ আব্দুল্লাহ প্রার্থনা সভায় ‘’ স্লোগান দেন। তিনি এই শ্লোগান উনার সাথে সাথে সভায় উপস্থিত সকলকে দিতে বলেন। শুধু এই নয় ‘’ শ্লোগান দেওয়ার পর ‘ জয় হিন্দ’ বলেও শ্লোগান দেন। বলেন, ‘অটল বিহারী বাজপেয়ী শুধু দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না একই সাথে দেশের হিন্দুস্থানবাসীর মনের প্রাণ ছিলেন তিনি। অটলজি কখনো ছোট/বোরো,ধর্ম, জাতি, সম্প্রদায় বা অন্য কোনো বিষয় নিয়ে বিভেদ করতেন না।

অটলজি বলতেন ভারতকে হারিয়ে ফেলবে এমন শক্তি তৈরি হয়নি।’ ফারুক আব্দুল্লা বলেন আমি যতদিন বেঁচে থাকবো ততদিন অটলজির পথেই চলবো। ফারুক আব্দুল্লাহ বলেন, অটলজি বিশ্বকে দেখিয়েছিলেন যে আমাদের শক্তি আছে কিন্তু আমরা কাউকে আক্রমন করার জন্য শক্তি বৃদ্ধি করি না। এই পার্থনা সভা থেকে ফারুক আব্দুল্লা যেভাবে ‘ভারত মাতা কি জয়’ ও ‘জয় হিন্দ’ শ্লোগান দেন তাতে দেশের কট্টরপন্থী নেতারা যারা ভারত মাতা কি জয় বলবো না বলে মুসলিম সম্প্রদায়কে উস্কানি দেয় তাদেরকে কড়া জবাব দেন ফারুক আব্দুল্লাহ।

 

প্রসঙ্গত আপনাদের জানিয়ে ডি হায়দ্রাবাদের কট্টরপন্থী নেতা আসাউদ্দিন ওয়েসী বলেছিলেন আমরা গলায় ছুরি ধরলেও আমি ভারত মাতা কি জয় বলবো না। শুধু এই নয়, যারা সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার করছে তাদেরকে আমরা ইসলাম কবুল করিয়ে ছাড়বো ইনশাল্লাহ, এই রকম উস্কানিমুলক মন্তব্য করেন। তবে এখন মোদী ও অমিত শাহের সামনে ফারুক আব্দুল্লাহ যেভাবে বলে শ্লোগান দেন তা বড়ো ঝটকা দেবে কট্টরপন্থীদের।