Press "Enter" to skip to content

মোদী সরকারের ঐতিহাসিক পদক্ষেপ! কেন্দ্রের সিদ্ধান্তে চিন্তায় চীন ও পাকিস্তানের সেনা।

এবার মোদী সরকার নিয়ে নিল এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এই পদক্ষেপ সারা বিশ্বের কাছে এক অন্য উচ্চতায় পৌঁছে দেবে ভারত কে। জানিয়ে দি এটা ভারত বিরোধী চিনপন্থাদের কাছে অত্যন্ত দুঃখজনক খবর। এবার মোদী সরকারের নুতন রেলপথের সাহায্যে চণ্ডীগড় থেকে লে পৌঁছানো আরও সহজ হয়ে গেল। এবার মোদী সরকার এক নুতন কাজ শুরু করে দিয়েছে যা উত্তর রেলপথের সাহায্য নিয়ে এবার তৈরি হতে চলেছে দুনিয়ার সবচেয়ে উঁচু রেলপথ। জানলে অবাক হবেন এই রেলপথ সুমদ্র থেকে ৫৩৭০ মিটার উঁচুতে অবস্থিত হবে। সামরিক দিক দিয়ে দেখতে গেলে এই রেলপথ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে। গ্রেট হিমালয়, বহি হিমালয় ও শিবালিক পর্বতের মধ্যে দিয়ে প্রবেশ করে এই রেল পিরাপঞ্জল, দৌলাদার,কাংগ্রা, , বিগ বাছা এর মত বড়ো বড়ো পর্বতশৃঙ গা ঘেষে পেরবে। এই রেল পথ শুরু হওয়া থেকে ৪৭৫ কিমি দূরে ভোপাল রেলস্টেশন অব্দি বিস্তৃত।

ইতিমধ্যে রেললাইনের মধ্যে পাথর বিছোনোর কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। জানা যাচ্ছে যে, রেলযাত্রার সুবিধার্থে এই রেল লাইনের ২৪৪ কিমি একটি সুরঙ্গ করা হবে। লেহে ও ভানুপালী এর পুরো কাজটি শেষ করার জন্য তিনটি ভাগে কাজ গুলি কে ভাগ করে নেওয়া হয়েছিল। ইতিমধ্যে একটি ভাগের কাজ পুরোপুরিভাবে সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে এমনটি জানা যাচ্ছে বিকাশ চৌধুরির কাছ থেকে যিনি উত্তর রেলের মুখপাত্র। রেলের ইঞ্চিয়াররা জানিয়েছেন যে, এই রেলপথ যেটা বিস্তৃত থাকবে লেহে ও ভানুপালী-র মধ্যে এটার মধ্যে ৩০ টি স্টেশন থাকবে, ১২৪ টি ছোটোবড়ো ব্রিজ থাকবে।

এছাড়াও সুরঙ্গ থাকবে ৭৪ টি,  এতবড়ো প্রজেক্টের জন্য খরচ হবে ৫০,০০০ কোটি টাকা। এই রেলপথেই থাকবে ৭০ মিটার লম্বা একটি সুরঙ্গ যেটা আজ অব্দি কোনো রেলপথ তৈরি করতে পারে নি। এই ট্রেনের বিশেষত্ব হল যে এই ট্রেনের মধ্যে দুটি ইঞ্চিন থাকবে। ফলে যাতায়াত ব্যাবস্থা অত্যন্ত নিরাপদ হবে। আপনাদের জানিয়ে রাখি যে, রেলের এই প্রজেক্ট সামরিক দিক দিয়েও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারন এই রেলপথের মাধ্যমে সহজেই ভারতীয় সেনা জাওয়ানরা তাদের চণ্ডীগড়ের বেসক্যামে যেতে পারবেন।

পাকিস্তান পড়বে এই রেল পথের দক্ষিণপূর্ব দিকে অন্য দিকে চাইনা উত্তরে পড়বে। ফলে সেনার তরফে জানানো হয়েছে যে ভবিষ্যৎ এ যদি কিছু কারনে সমস্যার সৃষ্টি হয় তাহলে সহজেই এই রেলপথ দিয়ে অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে যাওয়া যাবে। কেন্দ্র সরকার ঠিক করেছেন যে, এই প্রকল্পের সাথে শ্রীনগর কেউ জুড়ে দেবেন যাতে পাকিস্তানের উপর নজরদারি বাড়ানো যায়। কেন্দ্র সরকারের এই প্রকল্পটিকে সামরিক দিক দিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে দাবি করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
#অগ্নিপুত্র