Press "Enter" to skip to content

পাকিস্থানকে তাদের ভাষাতেই কড়া জবাব দিলেন ভারতীয় সেনা প্রমুখ বিপিন রাউয়াত।

প্রতিদিন পাকিস্থানের পোষা জঙ্গিরা জান্নাত লাভ করার পরেও নিজেদের নীচ আচরণে লাগাম লাগাচ্ছে না পাকিস্থান সরকার। প্রথমে BSF জওয়ানের বর্বর হত্যা ও তারপর জম্মুকাশ্মীরের ৩ পুলিশ কর্মীকে হত্যার ঘটনায় পাকিস্থানের ভূমিকা সামনে এসেছে। যারফলে পাকিস্থানের বিরুদ্ধে পুরো দেশে ক্ষোপ ছড়িয়েছে। এইরকম অবস্থায় প্রতিবেশী দেশকে শিক্ষা দেওয়ার জন্য কি পাকিস্থান আরেকটা করবে? এই প্রশ্নই প্রত্যেক ভারতীয়র মনে জেগে উঠেছে। রবিবার দিন চিফ জেনারেল বিপিন রাউতকে এই ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হলে উনি গুরুত্বপূর্ণ সংকেত দিয়েছেন। বিপিন রাওয়াত নিজের রাগ প্রকাশ করে বলেন, এটা প্রথমবার নয় যখন পাকিস্থান আমাদের ভালো ব্যাবহারের সুযোগ নিয়ে এমন কার্যকলাপ করলো।

যদিও উনি সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের বাপরে মুখ খুলে বলেন এটাকে সারপ্রাইজ থাকতে দিন। সেনা প্রমুখের কাছে যখন দ্বিতীবার এই সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের প্রশ্ন ছুড়ে দেওয়া হয় তখন রাওয়াত বলেন, সার্জিক্যাল স্ট্রাইক সারপ্রাইজের মতোই হয়ে থাকে, আর এই বিষয়টিকেও এইরকম থাকতে দেওয়া উচিত। উনি সংকেত দেন যে আমাদের একশন নেওয়ার জন্য টেকনোলজি ও সেনার সাথে তালমেল করিয়ে আবার সমস্থকিছু অর্গানাইজ করতে হবে।

ভারত ও পাকিস্থানের বিদেশমন্ত্রীদের মধ্যে মিটিং নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে উনি বলেন সরকার এই মিটিং বাতিল করে সঠিক কাজ করেছে, কারণ আমাদের নীতি এটাই যে আতঙ্কবাদ ও কথাবার্তা দুটো একসাথে চলতে পারে না। জানিয়ে দি আমেরিকায় ভারত ও পাকিস্থানের বিদেশমন্ত্রীদের মধ্যে মিটিং হওয়ার কথা উঠেছিল কিন্তু মোদীজি তার প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা প্রয়োগ করে সেই মিটিং বাতিল করেন। রাওয়াত বলেন সরকার সঠিক সিধান্ত নিয়েছে,পাকিস্থানকে তাদের কাজের মাধ্যমে প্রমান করতে হবে যে তারা আতঙ্কবাদকে প্রশ্রয় দেবে না , তারপরেই কথাবার্তার আলোচনা হবে।

রাওয়াত বলেন পাকিস্থান দাবি করে যে তারা তাদের জমিতে আতঙ্কবাদকে প্রশ্রয় দেবে না কিন্তু আমরা আবার প্রমান পাচ্ছি যে পাকিস্থান কি নীতি নীতি নিয়ে চলছে। এইরকম পরিস্থিতিতে সরকার একমাত্র ঠিক করবে যে দুই দেশের মধ্যে বার্তা হওয়া উচিত কিনা। আর আমি মনে করি ভারত সরকার বর্তমানে ১০০ শতাংশ সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে, কারণ শান্তি বার্তা আর জঙ্গি উৎপাদন একসাথে হতে পারে না।