Press "Enter" to skip to content

শারিয়া আদালত তৈরী করতে চাওয়ায় মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডকে কড়া জবাব দিলো বিজেপি।

মোদী সরকার আসার পর থেকে দেশে ন্যায় ব্যবস্থা আগর থেকে অনেক দৃঢ় হতে শুরু করেছে। আর সেখান থেকেই শুরু হয়েছে সমস্যা। আসলে মোদী সরকার আসার পর থেকে মুসলিমদের তিন তালাক, হালালার মতো প্রথাগুলির নিন্দায় সরব হয়েছে এবং মুসলিম মহিলাদের পক্ষ নিয়ে নতুন আইন তৈরী করার সিধান্ত নিয়েছেন। যার বিরোধিতার নেমেছিল । তাদের বক্তব্য ছিল মুসলিমদের তালাক বা হালালার ব্যাপার যেন আইন না প্রয়োগ হয়। যদিও কেন্দ্র মুসলিম ল বোর্ডকে পাত্তা না দিয়ে মুসলিম মহিলাদের জন্য কাজ করে চলেছে। তবে এখনো থেমে নেয়। সম্প্রতি যা সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা জানলে আপনারও চোখ কপালে উঠবে।

আসলে মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড দেশের প্রত্যেক রাজ্যের প্রত্যেক জেলায় শরিয়া আদালত খুলতে চাইছে।এই বিষয়ে মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড ১৫ তারিখ মিটিং এ বসবে বলেও জানা গিয়েছে। এই শরিয়া আদালতের উদ্দেশ্য এই যে কোনো শরিয়া সম্পর্কিত মামলা যেন কোনো প্রকারে দেশের আদালতে না যায়। আর যদি দেশের আদালতে চলেও যায় তাহলেও যেন তা শরিয়ার আওতায় থাকে। তবে বহু মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ পার্সোনাল ল বোর্ডের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন। বিশেষ করে মুসলিম শিয়া সম্প্রদায় এই সিধান্তের চরম বিরোধিতা করেছে। শিয়া সম্প্রদায় এই সিধান্তকে অসাংবিধানিক বলে দাবি করেছেন । অন্য দিকে বিজেপির তরফ থেকেও এই সিধান্তের বিরোধ করা হয়েছে এবং তারা জানিয়েছে যে দেশে শারিয়া কোর্টের কোনো অবস্থান হবে না।

বিজেপি জানায় এটা ইসলামিক রিপাবলিক অফ ইন্ডিয়া দেশ নয় যে শারিয়া নিয়ম চলবে। এই প্রসঙ্গে অনেকের দাবি মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড জিহাদি শক্তি প্রয়াগ করে ভারতকে ইসলামিক দেশে পরিণত করার চেষ্টা করছে। বিজেপির এক নেত্রী বলেন যে এই বিষয়টি পার্সোনাল ল বোর্ডের জিহাদি মানসিকতাকে প্রকাশিত করেছে। এটা প্রমান করে যে ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাজনে যে শক্তি ছিল তা এখনো বর্তমান রয়েছে।