Press "Enter" to skip to content

প্রকাশ্যে এলো মমতা ব্যানার্জীর আরেকটি মিথ্যে! ধর্ম নিয়ে রাজনীতির পর, এবার ভাষা নিয়ে বিভেদ করার অভিযোগ

নয়া দিল্লীঃ জয়েন্ট পরীক্ষায় বাংলা ভাষায় প্রশ্ন করা নিয়ে রাজ্যে রাজনৈতিক লড়াই তুঙ্গে। একদিকে মমতা ব্যানার্জী এবং তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করে বলা হচ্ছে যে, কেন্দ্র সরকার ইচ্ছে করে সবার উপর গুজরাটি আর হিন্দি ভাষা চাপিয়ে দিচ্ছে। আরেকদিকে বিজেপির তরফ থেকে অভিযোগ উঠেছে যে, মমতা ব্যানার্জী এতদিন ধরে ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করতেন, এবার ভাষা নিয়েও রাজনীতি শুরু করে দিয়েছেন ন্যাশানাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA) এর বিবৃতি ট্যুইট করে পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির পর্যবেক্ষক কৈলাশ বিজয়বর্গীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীকে বিভাজক দিদি বলে আখ্যা দিয়েছেন।

ন্যাশানাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA) এর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত সাতই নভেম্বর তাঁরা বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছিল যে, ২০১৩ সালে জয়েন্ট প্রবেশিকা পরীক্ষায় সম্মত হয়েছিল সবকটি রাজ্য। আর সেই বছর দেশের সব রাজ্যগুলোকে অনুরোধও পাঠানো হয়েছিল। সব কোটি রাজ্যের মধ্যে শুধুমাত্র গুজরাট তাঁদের রাজ্যের ছাত্র ছাত্রীদের জন্য জয়েন্টের প্রশ্ন গুজরাটি ভাষায় করার আবেদন করেছিল। আর সেই মতে গুজরাটি ভাষায় প্রশ্ন করা হয়েছিল।

২০১৪ সালে মহারাষ্ট্র তাঁদের রাজ্যের পড়ুয়াদের জন্য মারাঠি আর উর্দুতে প্রশ্নপত্র করার আবেদন করেছিল। কিন্তু ২০১৬ সালে মহারাষ্ট্র সরকারের আবেদন না মঞ্জুর করে দেওয়া হয়। মারাঠি আর উর্দু ভাষাতে প্রশ্নপত্র না করা হলেও, গুজরাটি ভাষায় প্রশ্ন জারি থাকে। NTA অনুযায়ী, এর পরে অথবা আগে দেশের কোন রাজ্যই ন্যাশানাল টেস্টিং এজেন্সির কাছে আবেদন পাঠায়নি আঞ্চলিক ভাষায় প্রশ্ন করতে।

রাজ্য সরকার ন্যাশানাল টেস্টিং এজেন্সির কাছে আবেদন পাঠানো একটি চিঠি প্রকাশ করেছে। যদিও সেই চিঠি ৭ই নভেম্বরের। ওই চিঠিতে আবেদন করা হয়েছে যে, পশ্চিমবঙ্গের বেশিরভাগ পরুয়াই দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত বাংলায় পড়াশুনা করে। আর সেই জন্য তাঁদের কাছে ইংরেজি একটু কঠিন ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। ২০২০ সালে জয়েন্টের প্রবেশিকা পরীক্ষা হতে চলেছে ইংরেজি, হিন্দি ও গুজরাটিতে। এর ফলে বাংলার পড়ুয়ারা সমস্যায় পড়বে। রাজ্য সরকারের তরফ থেকে আবেদন করে বলা হয়েছে যে, কেরিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায় সকলের সমান সুযোগ পাওয়া উচিত।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এর আগে কি আবেদন করা হয়েছিল রাজ্যের তরফ থেকে? মমতা ব্যানার্জী জানান,”বাংলা ভাষা রাখার জন্য চিঠি পাঠিয়েছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ওরা বলেছিল, মহারাষ্ট্র ও গুজরাট চিঠি পাঠিয়েছিল। তাহলে  মরাঠি কেন হল না? চিঠি আগেই পাঠানো হয়েছিল। বলতে হয় বলে দিল। শিক্ষানীতি থেকে অনেক কিছুই পরিবর্তন করা হচ্ছে।” কিন্তু ন্যাশানাল টেস্টিং এজেন্সি অনুযায়ী, গুজরাট আর মহারাষ্ট্র ছাড়া আর কোন রাজ্য তাঁদের আঞ্চলিক ভাষায় প্রশ্ন করার কোন আবেদন করেনি আজকের দিন পর্যন্ত।

you're currently offline