Press "Enter" to skip to content

শাসক দলের অত্যাচার ও গুন্ডাগিরিকে প্রতিহত করে বিজেপির পঞ্চায়েত গঠন এই জেলায়।

নমিনেশন পত্র জমা দেওয়া থেকে পঞ্চায়েত ভোট সব ক্ষেত্রেই পশ্চিমবঙ্গকে কাশ্মীরে পরিণত করেছিল তৃণমূলের গুন্ডাদল। পঞ্চায়েত ভোটে পুরো রাজ্যের মত মুর্শিদাবাদেও চলেছে বিরোধীদের উপর অকথ্য অত্যাচার। নানারকম ভাবে নমিনেশন জমা দেওয়ার কাজে বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। বহু এলাকায় রক্ত ঝরেছে। ঝরে গিয়েছে অনেক প্রান। কিন্তু এতকিছু করেও তৃনমূল সাধারণ মানুষের সমর্থনকে আটকাতে পারেনি। মহুলা পঞ্চায়েত যা মুর্শিদাবাদ জেলার বেলডাঙা থানার অন্তর্গত সেখানে বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠ ভাবে ১৮ টি আসনের মধ্যে ১৪ টি আসনে জয়ী হয়েছে। সেই এলাকায় পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকে খুশির হাওয়া বিজেপি শিবিরে। বিজেপির জয়ের ফলে সোমবার বোর্ড গঠন করে মহুলা বিজেপি সংগঠন।

মুর্শিদাবাদ জেলার এই অঞ্চলটি মূলত কংগ্রেসের ঘাটি বলেই পরিচিত। কিন্তু এবার এখানে কংগ্রেস তো বটেই সেই সাথে তৃনমূলও দাঁত ফোটাতে পারে নি। সোমবার জয়ী ১৪ জন প্রার্থীকে নিয়ে পুলিশের সহায়তায় সুষ্ঠ ভাবে পঞ্চায়েত বোর্ড গঠন করেন বিজেপি। বিজেপির তরফে প্রধান হিসাবে নির্বাচিত হন অনুপ সাহা। যিনি ১৪ টি ভোটের মধ্যে ১৪ টি ভোটই পান। সেই সাথে উপপ্রধান হিসাবে নির্বাচিত হন দীপ্তি হাজরা। এই দিনের ভোটে তৃনমূলের তরফে কেউ অংশগ্রহণ করেন নি।

কারন তারা ভালো ভাবেই জানত যে, তাদের কথা এখানে প্রাধান্য পাবে না। কারন তাদের কাছে ছিল মাত্র ৪ টি আসন অপরদিকে বিজেপির দখলে ১৪ টি আসন ছিল। অপরদিকে মুর্শিদাবাদ জেলার অন্তর্গত অপর একটি পঞ্চায়েত সাটুই চড়ুইগাছা সেটিও বিজেপির দখলে চলে আসে। সেখানে ১৬ টি আসনের মধ্যে ৯ টি আসন দখল করে বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বোর্ড গঠন করেন। অপরদিকে তৃনমূল পায় ৬ টি আসন। এবং কংগ্রেসের দখলে মাত্র ১ টি আসন।

শুধু এই নয় বীরভূমের মোল্লারপুর ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত দখল করে বিজেপি। মহিলা সংরক্ষিত আসনে প্রধান হিসেবে নির্বাচিত হন তনুশ্রী লেট এবং উপপ্রধান হন সমীর লোহার।সাধারণ মানুষের হয়ে কাজ করবো, মানুষের পাশে থাকবো এবং সমস্থ প্রতিকূলতাকে হাতে হাত মিলিয়ে লড়াই করে পরাস্ত করবো।

#অগ্নিপুত্র