Press "Enter" to skip to content

সুপ্রিম কোর্টে বিজেপির রথ যাত্রার মামলা! আদালত থেকে রথ বের করে আনতে প্রস্তুত মহারথীরা।

এই মুহূর্তে ভারতবর্ষের রাজধানী দিল্লীতে চরম ঠান্ডা। কিন্তু এই কনকনে ঠাণ্ডাতেও রাজধানী গরম হয়ে যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে কারণ বিজেপির রথযাত্রা মামলার শুনানী হবে সুপ্রিমকোর্টে। বিজেপি যে গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা করবে বলে ঠিক করেছিল সেটাকে আটকে দেয় পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকার; কারণ তৃণমূল স্পষ্ট বুঝতে পেরেছে যে এই রথযাত্রা হলে বিজেপির বেশ ভালো প্রভাব পড়বে রাজ্যজুড়ে। এই রথযাত্রা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করা হলে সেখানে রাজ্য বিজেপি অনুমতি পেয়ে গিয়েছিল কিন্তু এই মামলা ডিভিশন বেঞ্চে গেলে ফের আটকে যায় বিজেপিতে রথযাত্রা। কিন্তু রাজ্য সরকারের এই মামলা কে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানায় রাজ্য বিজেপি। তাই তারা এই মামলা নিয়ে যায় সুপ্রিম কোর্টে। কিন্তু এতদিন যাবৎ সুপ্রিমকোর্টের শীতকালীন ছুটি চলেছিল সেই জন্য এই মামলা আটকে ছিল।

ছুটি শেষ হয়ে কাল খুলছে সুপ্রিমকোর্ট। সেই সাথে ৭ তারিখ হতে পারে বিজেপির রথযাত্রা মামলার শুনানী। আর এই লক্ষ্যেই এই মুহূর্তে দিল্লীতে বৈঠক চলছে বিজেপির কেন্দ্রীয় কার্যকরি সমিতির। সেখানে রাজ্য বিজেপির রথী মহারথীরা উপস্থিত রয়েছেন। প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, রাজ্য বিজেপির প্রত্যেকটি আইনজীবী সুপ্রিমকোর্টের করা সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে প্রস্তুত, কারণ যে করেই হোক রথযাত্রার অনুমতি পেতেই হবে। আজ রাজ্য বিজেপির তরফে থাকবেন আইনজীবী জয়প্রকাশ মজুমদার ইনি হলেন রাজ্য বিজেপির সহ সভাপতি আইনজীবী; এছাড়াও থাকছেন হরিশ সালভে, মহেশ আগরওয়াল, রঞ্জিত কুমার এবং মুকুল রোহতগি।

গত বছর দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থা এ.এন.এই কে একটা সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন পুরোপুরি ভাবে লুন্ঠিত হয়ে গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের গণতন্ত্র। সেখানে কোনো বিরোধী দল যদি সভা করার জন্য আবেদন করে তাহলে সেই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস অনুমতি দেয় না। তাই বিরোধী দল গুলি কে আদালতের দ্বারস্থ হতে হয় বারবার।

দেশের সর্বোচ্চ আদালত এতদিন বন্ধ ছিল তাই ভারতীয় জনতা পার্টি অপেক্ষায় ছিল যে কখন আদালত খুলবে এবং মামলার শুনানি শুরু হবে। বিজেপির তরফে জানানো হয়েছে যে আদালত যেই সিদ্ধান্তই দিক না কেন তা মাথা পেতে মেনে নেওয়া হবে। অপরদিকে রাজ্য বিজেপি এই রায় কে কার্যত চ্যালেঞ্জের চোখে দেখছে কারণ মামলা জিততে পারলেই বছরে শুরুতে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে জোর ধাক্কা দেওয়া যাবে। অপরদিকে লোকসভা নির্বাচনে আগে এটা মানসিক দিক দিয়ে একদিকে যেমন বিজেপির মনোবল চাঙ্গা করবে অপরদিকে তৃণমূল বিদ্ধস্ত হয়ে পড়বে।
#অগ্নিপুত্র

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.