Press "Enter" to skip to content

বেরিয়ে এলো এক্সসিস মাই ইন্ডিয়া সার্ভে।রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ,ছত্রিশগড় রাজ্যে কে হবে জয়ী!

২০১৯ ের আগে বিজেপি শাসিত তিন রাজ্যে হবে যার কারণে রাজনৈতিক মহল আরো একবার সরগরম হয়ে উঠেছে। মধ্যেপ্রদেশ, রাজস্থান ও ছত্রিশগড়ে নির্বাচন সম্পন্ন হবে। লক্ষণীয় বিষয় বর্তমানে এই যে তিনটি রাজ্যেই বিজেপি শাসন চালাচ্ছে যার জন্য বিরোধীরা এই নির্বাচন নিয়ে বেশ উৎসাহিত রয়েছে। মধ্যপ্রদেশ ও ছত্রিশগড়ে ১৫ বছর ধরে শাসনকার্য সামলাচ্ছে বিজেপি অন্যদিকে রাজস্থানেও ৫ বছরে প্রভাব একটু কমেছে। এই তিনটি রাজ্যের একটিতেও বিজেপিকে হারাতে পারলেও পার্টির সদস্যদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে। অন্যদিকে এই তিনটি রাজ্যেই প্রধানমন্ত্রী পছন্দ হিসেবে নাম সমীক্ষায় উঠে এসেছে। ইন্ডিয়া টুডে এক্সসিস মাই ইন্ডিয়ার এই প্রত্যেক মতামত টেলিফোন ইন্টারভিউ মাধ্যমে নেওয়া হয়েছিল।

সার্ভে অনুযায়ী মধ্যপ্রদেশে আরো একবার শিবরাজ সিং চৌহান মুখ্যমন্ত্রী পদে বসতে চলেছেন। শিবরাজ সিং চৌহান এই সার্ভেতে মুখ্যমন্ত্রী পদের পছন্দ হিসেবে ৪৬ শতাংশ পেয়েছেন অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধা ৩২ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। অর্থাৎ ৩২ শতাংশ মানুষ জ্যোতিরাদিত্যকে মুখ্যমন্ত্রী বানানোর পক্ষে ভোট দিয়েছেন। কিন্তু কংগ্রেস কমল নাথকে মধ্যপ্রদেশ থেকে দাঁড় করানোর সিধান্ত নিয়েছে যিনি মাত্র ৮ শতাংশ ভোট পেয়েছেন।

এই কারণে বিজেপির শিবরাজ সিং চৌহানের জেতার হার আরো অনেক বেড়ে যাওয়ায় সুযোগ রয়েছে। কাজকর্মের দিক থেকে ৫১ শতাংশ মানুষ সরকারের কাজে খুশি ব্যাক্ত করেছে। মধ্যেপ্রদেশে ১২০৩৫ জন সার্ভেতে অংশগ্রহণ করেছিল। বেশিরভাগজন কাজের সরকারের কাজে খুশি হলেও বেকার সংখ্যাকে কমানোর জন্য সরকারকে চাপ দিয়েছে। ২০১৩ সালে রাজ্যের মোট ২৩০ আসনের মধ্যে ১৬৫ টি দখল করেছিল। অন্যদিকে কংগ্রেসের দিকে ৫৮ টি আসন এসেছিল।

ছত্তিশগড়ের এর থেকে পাওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী ৪১ শতাংশ মানুষ বর্তমান সরকারকে রাখার পক্ষে ভোট দিয়েছেন। অন্যদিকে কংগ্রেস ২১ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। মনে করা হচ্ছে রমন সিং আরো একবার এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পদে বসবেন। তবে রাজস্থানে বিজেপির সরকার তুলনামূলকভাবে দুর্বল রয়েছে। রাজস্থানে ৪৮ শতাংশ মানুষ সরকার বদলে দেওয়ার পক্ষে ভোট দান করেছে যাতে একটু সমস্যায় পড়েছে বিজেপি। কিন্তু সবদিক যাচাই করে দুই রাজ্যর ফলাফলে বিজেপির জয়লাভ হওয়ার সুযোগ বেশি ভালো এবং রাজস্থানে সামান্য দুর্বল রয়েছে বিজেপি।