Press "Enter" to skip to content

তৃণমূলকে গোড়া থেকে উপরে ফেলে এই পঞ্চায়েত দখল করলো বিজেপি।

এবার আমাদের রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোটে যেরকম ভাবে সন্ত্রাসবাদ চালিয়েছে শাসক দল তৃনমূল কংগ্রেস সেটা একদমই কোনো রাজনৈতিক দলের কাছে কাম্য ছিল না। দেশের কোনো নির্বাচনে এর আগে এই রকম ভাবে সন্ত্রাসবাদ হয় নি। এবার পঞ্চায়েত ভোটের আগে ও ভোট চলাকালীন শাসক দল তৃনমূল কংগ্রেস বিরোধীদের উপর অকথ্য অত্যাচার চালিয়েছিলো তাদের কে নানাভাবে বাঁধা দেওয়া হয়েছে নমিনেশন জমা দেওয়া থেকে বিরত রাখার জন্য। অনেক বিরোধী নেতাকর্মীর প্রান ঝরেছে। কিন্তু এত কিছু করেও তৃনমূল কংগ্রেস রাজ্য বিজেপির উত্থান কে আটকাতে পারেন নি। রাজ্যের সাধারণ মানুষ এত কিছুকে উপেক্ষা করেও বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন। এবার পঞ্চায়েত ভোটে বিজেপির দখলে এল বাগদা সিন্দ্রানী পঞ্চায়েত যেটি উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার অন্তগত। প্রথমবারের জন্য সিন্দ্রানী পঞ্চায়েত দখল করার ফলে খুশির হাওয়া শিবিরে। সিন্দ্রানী পঞ্চায়েতে এবার মোট আসন সংখ্যা ছিল ২৬ টি।

তারমধ্যে শাসক দল তৃনমূল পায় মাত্র ১১ টি আসন এবং নির্দলের দখলে চলে যায় ২ টি আসন। সেই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে বিজেপির দখলে চলে আসে ১৩ টি আসন। বিজেপি সেই পঞ্চায়েতের জয়ী দুই নির্দল সদস্যের সমর্থন নিয়ে সিন্দ্রানী পঞ্চায়েত দখল করে নেয়। এবং বিজেপি শিবির থেকে সেই পঞ্চায়েতে প্রধান হিসাবে লতিকা মন্ডলের নাম ঘোষনা করা হয়। অপর দিকে উপপ্রাধান করা হয় সুদেবী মন্ডল কে।

সদ্য প্রধান ও উপপ্রধান হওয়া দুই জনই সেখানকার মানুষ কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তাদের পাশে থাকার জন্য তাদেরকে ভোটে জয়ী করার জন্য এছাড়াও তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে মানুষের হয়ে কাজ করবেন এবং সমস্ত বিপদে মানুষের হাতে হাত মিলিয়ে লড়াই করবেন। এর আগে বোর্ড গঠনকে কেন্দ্র করে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গাতে ব্যাপক অশান্তি চলেছে। বিশেষ করে যেখানে যেখানে বিরোধীরা জয়লাভ করেছে সেখানে অশান্তির পরিমান বেশি কারন শাসক দল তৃনমূল কংগ্রেস বিরোধীদের উপর তাণ্ডব চালিয়েছে।

কিন্তু এই দিন বোর্ড গঠনের সময় সেই রকম কিছু চোখে পড়ল না। কারন এই দিন পুলিশ প্রশাসন ছিল অত্যন্ত তৎপর। বিজেপির সদস্যরা জানান , ওই এলাকায় বিজেপির বীজ বপন সম্পুর্ন হয়েছে এবার শুধু ২০২১ নির্বাচনের অপেক্ষা। তখনই তৃণমূলকে গোড়া থেকে উপরে ফেলো সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে।

#অগ্নিপুত্র