Press "Enter" to skip to content

‘গৃহযুদ্ধ ও রক্তগঙ্গা’ এর মতো মন্তব্যের পর মমতার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিলো বিজেপি।

এনআরসি ইস্যু নিয়ে লাগাতার কেন্দ্র সরকারকে আক্রমণ করেচলেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী । কেন্দ্রকে কটাক্ষ করে বলেন, এই দেশে কি শুধু মাত্র ি পার্টি করা লোকজনই থাকতে পারবেন। বিজেপি না করলে কি দেশে থাকার অধিকার কারুর নেই। তাহলে বিরোধীরা কোথায় যাবেন। উনি আরও বলেন যে, শুধুমাত্র নায়, প্রকাশিত তালিকায় নাম নেই অনেক সংখ্যক হিন্দু, সংখ্যালঘু আর বিহারি নাগরিকদের। এত সংখ্যাক মানুষ আজ নিজের দেশেই যাযাবর।
এছাড়া উনি আরও বলেন যে, দেশ ভাঙার চক্রান্ত করছে বিজেপি। যদি এই ভাবে পুরো দেশ জুড়ে এই রকম চলতে থাকে তাহলে তাহলে রক্ত গঙ্গা বয়ে যাবে দেশে। গৃহযুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে দেশের ভিতর।

তিনি বলেন যে ভারতের নাগরিক যে কোনো রাজ্যে বসবাস করতে পারেন। দিকে দিকে যে বিশৃঙ্খলা সৃস্টি হয়েছে সেটা আমি হতে দেব না। এখন মমতা ব্যানার্জীর এই বক্তব্যের পর হৈচৈ শুরু যায় রাজনৈতিক মহলে। কারণ একদিকে যখন কেন্দ্র প্রচুর অর্ধসেনাবাহিনী নামিয়ে আসামের পরিস্থিতি শান্ত রাখতে সক্ষম হয়েছে সেই সময় অন্যদিকে মমতার মতো একজন বড় নেত্রী গৃহযুদ্ধ ও রক্তগঙ্গার মতো উস্কানিমূলক কথা বলছেন।আসলে কেন্দ্র বিজেপি সরকার জানাই, পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এলে এখানেও করা হবে।

আর তারপরের এমন উক্তি দেন মমতা ব্যানার্জী। এমনকি অবৈধ বাংলাদেশিরা পশ্চিমবঙ্গে এলে তাদের সাহায্য করার মতো কোথাও বলেন, অর্থাৎ একভাবে অবৈধ বাংলাদেশিদের আমন্ত্রণ জানান। জাতীয় নাগরিক পঞ্জির বিরুদ্ধে মমতার মন্তব্যের প্রেক্ষিতে ডিব্রুগড় জেলায় অভিযোগ দায়ের করে বিজেপি যুবমোর্চা। ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার ৩ জন সদস্য নাহারকাটিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ জানিয়েছেন তারা অভিযোগটি খতিয়ে দেখছেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে মমতা এর বক্তব্যের জন্য মানুষের মধ্যে বিদ্বেষ ও উত্তেজনা ছড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে এবং এর ফলস্বরূপ নাগরিক সনদের প্রক্রিয়া লাইনচ্যুত হতে পারে। অন্যদিকে মমতার বক্তব্যের পর বিজেপি সুব্রামানিয়াম স্বামী পশ্চিমবঙ্গে মমতার সরকার বাতিল করে শাসনের দাবি তোলেন।

#অগ্নিপুত্র