Press "Enter" to skip to content

যোগী রাজ্যে যুগান্তকারী পরিবর্তন! মহরমের দিন রাস্তায় রক্তক্ষরণের বদলে হাসপাতালে রক্তদান।

সাধারণত মুসলিম সমাজ ের দিনে শরীর থেকে রক্ত বের করে এবং উৎসব রীতি পালন করে। প্রত্যেক বছর ের দিন মুসলিম সমাজ রাস্তায় নেমে নিজেদের দেহ থেকে রক্ত বের করে। আসলে এই নিয়ে অনেক বিতর্ক সৃষ্টি হয়। অনেকে দাবি করে এইভাবে রাস্তায় রক্ত বের করার জন্যে সমাজে ভয়ের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। মোহরমে রক্তক্ষরণে বাচ্চারাও সামিল হয় তাতেও অনেক আপত্তি প্রকাশ করে। সম্প্রতি হিন্দু সেনা ব্যান করার পর্যন্ত দাবি তুলেছিল এই রক্তক্ষরণের জন্য। তবে যোগী রাজ্যে অর্থাৎ উত্তরপ্রদেশে এই বছর এই উৎসবকে এমনভাবে পালন করা হচ্ছে যাতে যেকেউ মহরমকে স্বাগত জানাবে। আসলে যোগী রাজে ের দিন রাস্তায় রক্ত না অপচয় করে সেই রক্ত দান করার জন্য লেগে পড়েছে মুসলিমরা। কেউ হাসপাতালে গিয়ে তো কিছু কিছু স্থানে ব্লাড ডোনেশন ক্যাম্প লাগিয়ে চলছে রক্তদান। প্রত্যেক বছর ে এমন ছবি চোখে পড়ে যা অনেককে বিচলিত করে এবিং একই সাথে অনেকের মধ্যে ভয় সৃষ্টি করে।

কিন্তু এখন যোগী রাজে মহরমে ভালো ছবি চোখে পড়তে শুরু করেছে যার কারণে যারা মহরমের রক্তক্ষরণ পছন্দ করতো না তারাও এখন ইসলামের এই উৎসবকে স্বাগত জানাতে শুরু করেছে। আসলে মহরমে প্রত্যেক বছর রক্তক্ষরণের ফলে মুসলিম সমাজের বেশ ভলোরকম ক্ষতি হয়, কারণ রাস্তায় রক্তক্ষরণের ফলে প্রতিবছর বহু রোগ ব্যাধি দেহে প্রবেশ করে। কিন্তু রক্ত দানের ফলে রোগ ব্যাধি থেকে যেমন দূরে থাকা যায় সেই একইভাবে অন্যের সাহায্য করে পুণ্য লাভ সম্ভব হয়। মহরমের রক্ত অপচয়ের বদলে রক্তদানকে মুসলিম সমাজের একটা ভালো সূচনা বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে এই প্রথম নয় যোগীর রাজ্যে এর আগেও মুসলিম সমাজ সরকারের সাথে তাল মিলিয়ে এমন কাজ করে দেখিয়েছে যা পুরো বিশ্বের মুসলিমদের প্রেরণা দেবে। আসলে বকরি ঈদের দিন উত্তরপ্রদেশের মুসলিম সমাজ একদিকে যেমন অন্য সম্প্রদায়ের আস্থা রেখে উৎসব পালন করেছিল। তেমনি কিছুজন পশু বলীর বদলে কেকের মধ্যে ছাগলের ছবি এঁকে তা কেটে ছিল।

যার মাধ্যমে তারা সমাজকে এক নতুন যুগান্তকারী বার্তা দিয়েছিল। জানিয়ে দি, এই সমস্থ কিছু হটাৎ করে হচ্ছে না, বরং সবকিছুর পেছনে যোগী সরকারের প্রচেষ্টা লুকিয়ে রয়েছে। যে উত্তরপ্রদেশের বড় বড় সাম্প্রদায়িক ঘটনা সাধারণ ব্যাপার ছিল সেই প্রদেশেই এখন যোগী আমলে ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে যা সুশাসনের একটা প্রতিফলন মাত্র।