Press "Enter" to skip to content

ব্রেকিং খবরঃ টানটান উত্তেজনার মধ্য দিয়ে বনগাঁ পুরসভার দখল নিলো বিজেপি

বনগাঁ পুরসভায় আস্থা ভোটে জয় হয়েছে গেরুয়া শিবিরের, এমনটাই দাবি বিজেপির। বিজেপি কাউন্সিলরদের আটকে রেখে ভোট করানো হয় বলে দাবি করেন তাঁরা। পরে বিজেপির ১১ জন কাউন্সিলরই অনাস্থা প্রস্তাবে ভোট দেন বলে জানা যায়। এর ফলে বনগাঁ পুরসভা তৃণমূলের হাত থেকে ছিনিয়ে নিয়ে নিজেদের দখলে রাখল বিজেপি।

আরেকদিকে তৃণমূলের নেতা তথা বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান শঙ্কর আঢ্য জানান, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পুরসভায় হাজির হতে পারেন নি বিজেপির কাউন্সিলরেরা। এর ফলে জয় হয়েছে শাসক দলেরই দাবি চেয়ারম্যান শঙ্কর আঢ্যের। তবে এই নিয়ে প্রশাসনিক আধিকারিক গৌরাঙ্গ বিশ্বাস কোন মন্তব্য করেন নি।

উল্লেখ্য, পুরসভায় অনাস্থা ভোটের আগে তৃণমূলের কাউন্সিলর শম্পা মাহান্তি বিজেপির দুই কাউন্সিলর কার্তিক মণ্ডল এবং হিমাদ্রি মণ্ডল এর বিরুদ্ধে জোর করে তুলে নিয়ে গিয়ে মুক্তিপণ আদায় করার গুরুতর অভিযোগ আনেন। আর এই নিয়ে তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

এই মামলা আদালতে যাওয়ার পর হাইকোর্ট বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দেয় যে, আস্থা ভোটের আগে কোন মতেই বিজেপির কাউন্সিলর কার্তিক মণ্ডল এবং হিমাদ্রি মণ্ডল পুলিশ গ্রেফতার করতে পারবে না। হাইকোর্টের নির্দেশের পর অস্বস্তিতে পড়ে শাসক দল তৃণমূল।

পুলিশ দিয়ে গ্রেফতার করাতে না পারলেও, বিজেপির কাউন্সিলর কার্তিক মণ্ডল এবং হিমাদ্রি মণ্ডল-কে আস্থা ভোটের আগে পুরভবনে ঢুকতে দেয়নি পুলিস, এমনটাই অভিযোগ বিজেপির। গেরুয়া শিবির থেকে অভিযোগ করে জানানো হয় যে, তৃণমূলের নির্দেশ মতই বিজেপির ওই দুই কাউন্সিলরকে পুরভবনে ঢুকতে বাধা দিচ্ছিল পুলিশ।

তৃণমূলের চেয়ারম্যান শঙ্কর আঢ্য- এর বিরুদ্ধে দলেরই ১১ জন কাউন্সিলর অনাস্থা প্রস্তাব এনেছিলেন। তাঁদের অভিযোগ অনুযায়ী, শঙ্কর আঢ্য অনেকদিন ধরে পদে থাকার পরেও এলাকার জন্য কোন উন্নয়ন করেন নি। দলের ১১ জন কাউন্সিলর চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার পর। আজ মঙ্গলবার বনগাঁ পুরসভায় আস্থা ভোট হয়। দুপক্ষের প্রচুর সমর্থক পুরো চত্বর ঘিরে রাখেন বলে জানা যায়। এমত অবস্থায় এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে আস্থা ভোট করানো হয়।