Press "Enter" to skip to content

শুধু মুখে বললে হবে না, চীনকে শিক্ষা দিতে হলে প্রত্যেক ভারতীয় করুন এই ৫ টি কাজ!

পাকিস্থান একটা ভিখারী দেশ, পাকিস্থানের কাছে না আছে দক্ষতা না আছে প্রযুক্তি। পাকিস্থান জিহাদের নীতিতে তৈরি একটা দেশ তবে জিহাদের জন্যেও পাকিস্থান অন্য দেশের ফান্ডিংয়ের উপর নির্ভর করে। পাকিস্থানের সবথেকে বড় ফান্ডিং এর উৎস হলো চীন। পাকিস্থানকে চীন সমর্থন করে শুধুমাত্র ভারতকে বৃদ্ধিকে আটকানোর জন্য। ভারত একটা বড় এবং প্রতিভাশালী দেশ। যোগ্য নেতৃত্ব থাকলে ভারত খুবই তাড়াতাড়ি মহাশক্তিতে পরিণত হতে পারে। চীন এশিয়া মহাদেশে নিজের থেকে প্রভাবশালী কোনো দেশকে টিকতে দিতে চাই না। তাই ভারতকে জ্বালাতন করার জন্য বামপন্থীদেশ চীন জিহাদি দেশ পাকিস্থানকে সমর্থন করে।

পাকিস্থানের টপ আতঙ্কবাদী থেকে মাসুদ আজহার সকলেই পাকিস্থানের সরকারী কর্মচারী। আর টাকা ছাড়া এখন কিছু হয় না, টাকা ছাড়া জিহাদও হয় না। তাই পাকিস্থানকে ফান্ডিং করে চীন এবং চীনকে ফান্ডিং করে সাধারণ উদারবাদী ভারতীয়। আজ চীন ভারতের প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভিটো পাওয়ার ব্যাবহার করে মাসুদকে গ্লোবাল আতঙ্কি ঘোষণার হাত থেকে বাঁচিয়ে নিয়েছে। চীন এর আগেও ভারতের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। আসলে চীন আগেই দেখে নিয়েছে যে ভারতের যতই ক্ষতি করা হোক না কেন ভারতীয়রা চীনের মাল কিনবেই। কিছু কিছু জায়গায় চীনের বিরুদ্ধে হয়তো প্রতিবাদ উঠবে কিন্তু সেটা তাৎক্ষণিক সময়ের জন্য।

চীন কোনো বিকশিত দেশ নয়, চীন একটা বিকাশশীল দেশ। তাই চীনের অর্থনীতিতে যতক্ষন না পর্যন্ত আঘাত করা হবে ততক্ষণ চীন ভারত বিরোধী কাজ বন্ধ করবে না। ভারত সরকার চীনের বিরুদ্ধে একশন নেওয়ার কাজ করছে এবং আগত সময়েও করবে। তবে সাধারণ ভারতীয়রাও নীচের কাজ গুলি করলে চীনকে ভলোরকম শিক্ষা দেওয়া যাবে।

১) আপনি যদি চীনের তৈরি মোবাইল কিনে ফেলেছেন তাহলে সেগুলিকে ফেলে দেওয়া বা ভেঙে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কারণ এই টাকা আপনি আগেই চীনের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন। তাই আপনার মোবাইলকে চীনের বিরূদ্ধেই কাজে লাগান। ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব, হোয়াটসআপ এড মতো প্রত্যেকটি জায়গায় চীন ও চীনের প্রোডাক্টের বিরুদ্ধে প্রচার করুন।

২) বিভিন্ন অনলাইনে পোর্টালে গিয়ে চীনের প্রোডাক্টের রেটিং কম করে দিন, নেগেটিভ রিভিউ দিন, নেগেটিভ কমেন্ট করুন। আমাদের সংখ্যা অনেক এবং প্রায় সকলেই একটু আধটু ইংরাজি লিখতে পারেন। তাই চাইনা প্রোডাক্ট এই উপর পুরো বিশ্বের নেগেটিভ ইমপ্যাক্ট তৈরি করতে বেশি সময় লাগবে না।

৩) এবার মোবাইল কিনতে গেলে চাইনার মোবাইল কিনবেন না। সাউথ কোরিয়া, জাপান, তাইওয়ান ইত্যাদি দেশের কোম্পানির ফোন কিনুন। শুধু মোবাইল নয়, চীনের সমস্থ ডিভাইসের উপর নেগেটিভ রিভিউ দিন। আপনার সংস্পর্শে কোনো বড় ইউটিউবার থাকলে তাকেও চায়না মালের বিরুদ্ধে প্রচার করতে উৎসাহিত করুন।

৪) মোবাইল ফোনে চাইনিজ এপ্লিকেশন থাকলে সেগুলি ডিলিট করুন। চাইনিজ এপ্লিকেশন আপনার ব্যক্তিগত ডাটা চুরি করে তাই সকলকে সতর্ক করে চীন বিরোধী কাজে সকল ভারতীয়দের জোট করুন।

৪) ভারতে প্রবেশ হয়ে যাওয়া চাইনিজ প্রোডাক্ট ভাঙচুর করে বা ফেলে দিয়ে কোনো লাভ হবে না। সেটাতে ভারতীয়দের ক্ষতি হবে, তাই শুধুমাত্র চীনের প্রোডাক্ট নিয়ে নেগেটিভ প্রচার করা উচিত। পুরো বিশ্বের মানুষের কাছে চীনের প্রোডাক্টকে নিচু মানের বলে ছড়িয়ে দেওয়া উচিত যাতে চীনের মার্কেট নষ্ট হয়।

এই কাজ গুলি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এবং খুবই সহজে করা সম্ভব। যদি মাত্র ১ কোটি ভারতীয় এই কাজ করতে শুরু করে তবে চীনের আর্থিক ঝটকা শুরু হয়ে যাবে। চীনকে আর্থিকদিক থেকে ক্ষতিগ্রস্ত না করলে ভারতের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চালাতেই থাকবে।

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.