Press "Enter" to skip to content

১ কোটি টাকার ঘুষকে ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে, এই BSF জওয়ান পাকিস্থান থেকে আগত ২০০ কোটি টাকার ড্রাগসের ট্রাককে ধরে ফেললো।

দেশের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে সবসময় নেশাজাতীয় দ্রব্যের ব্যাবসায় লিপ্ত ব্যাবসায়ীরা সক্রিয় হয়ে থাকে। তাতে সেটা রাজস্থান সীমা হোক, কাশ্মীর সীমা হোক, বাংলাদেশ লাগোয়া সীমা হোক অথবা পাঞ্জাব সীমা হোক। সব স্থানেই এই ব্যাবসায়ীরা লিপ্ত হয়ে থাকে। আসলে দেশের BSF আরো একবার সীমান্ত থেকে আসা নেশা জাতীয় ব্যাবসার পুরো দলকে গ্রেপ্তার করেছে।

সংযুক্ত কার্যবাহীর মাধ্যমে ট্রাকের মাধ্যমে আসা ২০০ কোটি টাকার হিরোইন ও ব্রাউন সুগার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সূত্রের অনুযায়ী ট্রাক ড্রাইভার BSF জোয়ানকে ১ কোটি টাকা ঘুষ দেওয়ার কথা বলেছিল। কিন্তু BSF জওয়ান সেই টাকা নিতে অস্বীকার করেছে। মিডিয়া এই ব্যাপারে BSF জওয়ানকে প্রশ্ন করলে ওই BSF জোয়ান বলেন, আমাকে ১ কোটি টাকা ঘুষ দিতে চেয়েছিল ট্রাক ড্রাইভার, কিন্তু টাকার থেকে দেশ বড়।

১ কোটি টাকার লোভে সে কোটি কোটি ভারতীয় যুবকদের ভবিষ্যত নষ্ট করে দিতে পারে না, বলে জানিয়েছেন BSF জওয়ান। বারামুলা পুলিশ ও BSF জওয়ানরা এখন লাগাতার ট্রাকের উপর লক্ষ রাখছে। কিছুদিন আগেই ভারত আগত এক ট্রাক থেকে ২৫ কিলো নারাকটিক্স ড্রাগ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই ড্রাগসগুলি ক্রস বর্ডার ট্রেডের উদ্দেশে পাকিস্থান অধিকৃত কাশ্মীর থেকে ভারত পাঠানো হয়েছিল। পুলিশ অভিযুক্ত ট্রাক ড্রাইভারকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ এই ড্রাগস ব্যাবসার উপর পুরো লিঙ্কের পর্দাফাঁস করার জন্য ট্রাক ড্রাইভারকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

বিগত দিনে এক ট্রাক থেকে ১ কিলো হিরোইন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। সেই হিরোইনের আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য ৫ কোটি টাকা। পাকিস্থানের চোরা চালানকারীরা এই সমস্থ ব্যাবসা করছে বলে অনুমান করা হয়েছে। ভারতীয় যুবকদের মধ্যে নেশার প্রভাব বাড়িয়ে দুই দিক থেকে লাভ উঠতে চাইছে পাকিস্থান। যদিও মোদী সরকার সমস্থ বর্ডারের রাস্তায় ফুল বডি স্ক্যানারের শক্তিশালী যন্ত্র বসানোর কাজ চালাচ্ছে যা সম্পূর্ন হলে BSF দের কাজে অনেকটা সুবিধা হবে।

9 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.