Press "Enter" to skip to content

খুব শীঘ্রই পাইলট অভিনন্দনকে ফিরিয়ে আনা হবে ভারতে, মানসিকভাবে দুর্বল হওয়ার প্রয়োজন নেই ভারতীয়দের।

আজ নৌসেরাতে পাকিস্থানের f-16 কে ফায়ারিং করে ভারতীয় বায়ুসেনা নামিয়ে দিয়েছে। কিন্তু যুদ্ধ কখনো একতরফা হয়না, ক্ষতির আশঙ্কা সবসময় থাকে। ভারতের সাথে পাকিস্থানের যে সাময়িক পর্যায়ের যুদ্ধ শুরু হয়েছে তাতে ভারতের একটা MIG-21 জেট যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে ভেঙে পড়েছে। উইং কামান্ডোর অভিনন্দন এই জেট উড়াচ্ছিলেন বলে মনে করা হচ্ছে। উনার জেট পড়তে শুরু করলে উনি প্যারাসুট ব্যাবহার করে নেমে আসেন কিন্তু উনি পাকিস্থানের সীমায় পৌঁছে যান।

এরপর থেকে দু তিনটি ভিডিও ভারতের সোশ্যাল মিডিয়া ঘোরাঘুরি করছে এবং ভারতীয়রা চিন্তা প্রকাশ করতে শুরু করেছে। অনেকে এটা নিয়ে নিজের আবেগ প্রকাশ করে কান্নাকাটি করছেন। এখন বোঝাবার বিষয় এটাই যে যুদ্ধক্ষেত্রে এমন পরিস্থিতি আসতে পারে এটা স্বাভাবিক ব্যাপার। পাকিস্তানিরা জেনেভা কনভেনশন উলঙ্ঘন করে ভারতের উইং কামান্ডোর পাইলট অভিনন্দনের উপর শারীরিক অত্যাচারও করেছে। জেনেভা কনভেনশনের আর্টিকেল ১৩ এবং ১৪ তে পরিস্কার বলা হয়েছে বন্দিকে অত্যাচার করা যাবে না, তার সাথে মানুষের মতো ব্যাবহার করতে হবে। তা সত্বেও স্থানীয় পাকিস্থানীরা অভিনন্দনকে পেয়ে মারধর শুরু করেছিল।
কিন্তু তার মানে এটা নয় যে পাকিস্থানিরা চিরকালের জন্য অভিনন্দনকে আটকে রাখতে পারবে।

কিছুদিনের মধ্যেই মানবাধিকারের সন্মান করে এবং জেনেভা কনভেনশানকে মাথায় রেখে পাকিস্থান কামান্ডোর অভিনন্দনকে ভারতের হাতে ফিরিয়ে দেবে। সবথেকে বড় বিষয় হলো, পাকিস্থান এটা স্বীকার করেছে যে অভিনন্দন তদের হাতে আছে। এর অর্থ পুরো বিশ্ব উনার ব্যাপারে জানে এবং কামান্ডোর অভিনন্দনকে ভারতের হাতে ফিরিয়ে দিতে বাধ্য পাকিস্থান।

কার্গিল যুদ্ধের সময়ও পাকিস্তান ভারতের ১ জন পাইলটকে গ্রেপ্তার করেছিল। মাত্র ৮ দিনের মাথায় তাকে ভারতে ফেরত করে দিয়েছিল পাকিস্থান। ভারত এখন একশন মুডে আছে, তাই পাকিস্থান চাইছে ভারতীয়দের মানসিকভাবে দুর্বল করতে। কিন্তু এই পরিস্থিতি দুর্বল হওয়ার নয়, প্রত্যেক ভারতীয়র উচিত দুশ্চিন্তা ছেড়ে সরকারের সাথে তৈরি থাকা। খুবই শীঘ্রই কামান্ডোর অভিনন্দনকে ভারতে ফিরিয়ে আনা হবে।

9 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.