Press "Enter" to skip to content

রাহুলের কথায় চললে পাঞ্জাব কংগ্রেস ছাড়তে হবে সিধুকে! নবজোত সিং এর উপর ফরমান জারি করলো পাঞ্জাব কংগ্রেসের সদস্যরা।

এর উপর ফরমান জারি করলো ের সদস্যরা।

কংগ্রেস নেতা ও পাঞ্জাবের মন্ত্রী নবজোত সিং সিধুর কান্ড কীর্তি নিয়ে ভারত পাকিস্থানে এখনো রাজনৈতিক উৎপাত লেগে রয়েছে। বিগত মাসে সিধু দু দুবার পাকিস্থানে গিয়ে ভারত বিরোধী কাজ করেছেন। সিধু যে শুধু পাকিস্থানে গিয়ে সেখানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সাথে দেখা করেছেন এই নয়, একই সাথে ভারতের কট্টর শত্রু আতঙ্কবাদীদের সাথেও বৈঠক করে এসেছেন। সিধুর পাকিস্থান যাওয়া নিয়ে বিজেপি ও রাষ্ট্রবাদী হিন্দুরা প্রথম থেকে বিরোধ প্রদর্শন করে এসেছে। কিন্তু সিধুর জন্য পরিস্থিতি আরো খারাপ তখন হয় যখন পাঞ্জাবের কংগ্রেস সদস্যরায় সিধুর বিরুদ্ধে বিরোধ প্রদর্শন করে। এখন পাঞ্জাবের কংগ্রেস মন্ত্রী ও কর্মীরা নবজোত সিং সিধুকে দেওয়ার জন্য দাবি তুলেছে। পাঞ্জাবের কংগ্রেস সদস্যরা কেন সিধুর চাইছেন তা জানতে হলে প্রথমে আপনাকে পাঞ্জাবের রাজনীতি বুঝতে হবে।

আসলে পাঞ্জাবে কংগ্রেস সরকার থাকলেও এটা সোনিয়া বা রাহুলের মতে চলে না , পাঞ্জাবের কংগ্রেস চলে মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরেন্দ্র সিং এর নির্দেশে। জানিয়ে দি , ক্যাপ্টেন অমরেন্দ্র সিং পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার সাথে সাথে একজন প্রাক্তন সেনা ক্যাপ্টেন ছিলেন। ক্যাপ্টেন অমরেন্দ্র সিং কখনোই রাহুল বা সোনিয়ার দ্বারা প্রভাবিত হন না। পাঞ্জাবের মানুষ ক্যাপ্টেন অমরেন্দ্র সিং এর দিকে চেয়েই কংগ্রেসে ভোট দান করেন। অন্যদিকে নবজোত সিং সিধু ক্যাপ্টেন অমরেন্দ্র সিং এর ক্যাবিনেট মন্ত্রী।

ক্যাপ্টেন অমরেন্দ্র সিং সিধুকে পাকিস্থান যেতে নিষেধ করে ছিলেন কিন্তু তা না শুনে, রাহুল ও সোনিয়ার কথায় সিধু আতঙ্কবাদীদের সাথে বৈঠক করতে পাকিস্থান পৌঁছেছিলেন। সিধু ভারতে ফিরে এলে উনাকে মিডিয়ার দ্বারা প্রশ্ন করা হয় যে কেন উনি মুখ্যমন্ত্রীর নিষেধ সত্ত্বেও পাকিস্থান পৌঁছেছিলেন। উত্তরে সিধু বলেন, অমরেন্দ্র সিং সেনার ক্যাপ্টেন হতে পারে, কিন্তু আমার ক্যাপ্টেন রাহুল গান্ধী। অর্থাৎ সিধু, রাহুল ও সোনিয়াকে খুশি করতে গিয়ে খোলাখুলি মিডিয়ার সামনে মুখ্যমন্ত্রীর অপমান করেন। যারপর থেকে পাঞ্জাবের কংগ্রেস টিম নবজোত সিং সিধুর ইস্তফা দাবি করেছে।

রানা গুরমিত সিং, সাধু সিং এর মতো বড়ো নেতারাও নবজোত সিং সিধুকে পার্টি থেকে ইস্তফা দেওয়ার জন্য বলেছেন। সুখ্যাজিনধার সিং বলেন, যদি সিদ্ধু ক্যাপ্টেনের নেতৃত্বে ছেড়ে রাহুলের নেতৃত্বকে বেশি প্রাধান্য দেন তাহলে উনাকে দল ছাড়তে হবে। পাঞ্জাব কংগ্রেসের বক্তব্য, রাহুলের নেতৃত্বে চলতে গিয়ে সিধু দেশের সুরক্ষাকে বিপদে ফেলছে যা কতিপয় স্বীকার করা সম্ভব নয়।

প্রিয় পাঠকদের জন্য প্রশ্নঃ কংগ্রেস নেতা নবজোত সিং সিদ্ধুর পাকিস্থান যাওয়া নিয়ে আপনাদের প্রতিক্রিয়া জানান।

14 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.