Press "Enter" to skip to content

বাংলার রাজ্যপালের সাথে দেখা করতে চাইল CBI, মমতার ক্ষমতা বরখাস্ত করে রাষ্ট্রপতি শাসনের সুপারিশ করতে পারেন রাজ্যপাল।

দুর্নীতিতে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বাঁচানোর জন্য কাল মমতা, কলকাতা পুলিশকে অপব্যবহার করে এর উপর লাগিয়ে দিয়েছিল। কলকাতা পুলিশ গুন্ডার মতো ব্যাবহার করে এর আধিকারিকদের মারধর করে আটক করে। একইসাথে মমতার পুলিশ কলকাতায় এর দপ্তরকে ঘিরে ফেলেছিল। জানিয়ে দি কোনো ছোটখাটো সংস্থা নয়, একটা কেন্দ্রীয় সংস্থা যা ভারতের সংবিধান দ্বারা চলে। তাই এর কাজে বাঁধা দেওয়ার অর্থ ভারতের সাথে সরাসরি যুদ্ধ। ৪০ হাজার কোটি টাকার টিটফান্ড দুর্নীতির উপর তদন্ত করার জন্য অভিযুক্ত রাজীব কুমারের বাড়ির সামনে উপস্থিত হয়েছিল। কিন্তু মমতা তাকে বাঁচানোর জন্য কলকাতা পুলিশকে অপব্যবহার করে, একই সাথে এর তদন্ত আটকানোর জন্য ধর্নায় বসে যান। একই সাথে কলকাতার পুলিশের কয়েকজন আধিকারিকও মমতার সাথে বসে পড়েন। অর্থাৎ কলকাতা পুলিশ এখন তৃণমূলের সদস্যের মতো কাজ শুরু করে দিয়েছে।

কেন্দ্র সরকার CRPF এর একটা ইউনিট প্রেরণ করার পর মমতার পুলিশ আটক করা CBI আধিকারিকদের ছাড় দেয়। CRPF নামার পরেই CBI দপ্তর ঘেরাবন্দি করে রাখা কলকাতার বিধনানগর পুলিশও পলায়ন করে। এই মামলা নিয়ে এবার CBI আরো এক্টিভ হয়েছে, CBI এই মামলার জন্য নিজেদের আইনি পরামর্শদাতাদের সাথে কথা বলেন। বাংলার গভর্নর কেশরীনাথ ত্রিপাঠির সাথে দেখা করার জন্য CBI সময় চেয়েছে বলে খবর এসে পৌঁছাচ্ছে।

কলকাতায় সংবিধানের পুরো নিয়ম ভঙ্গ করে দিয়েছেন। ইতিহাসে এই প্রথমবার CBI কে বাঁচানোর জন্য CRPF নামতে হয়েছে। এর থেকে লজ্জার বিষয় আর কোনো রাজ্যের জন্য হতে পারে না। কেন্দ্র সরকার CRPF কে নামিয়েছিল এর অর্থ কেন্দ্র সরকারও একশন মুডেই আছে। CBI ের ের সাথে দেখা করার জন্য সময় চেয়েছে। এখন অনেকের মনে প্রশ্ন আসতে পারে যে CBI কেন ের সাথে দেখা করতে চাইছে!

আসলে কোনো রাজ্যে জারি তখনই হয়, যখন সেই রাজ্যের রাজ্যপাল দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে এর জন্য সুপারিশ করে। তাই এটা আশঙ্কা করা স্বাভাবিক যে CBI এর সাথে দেখা করার পর কেশরীনাথ ত্রিপাঠী মমতার ক্ষমতাকে বরখাস্ত করে লাগু করে দিতে
পারে।

জানিয়ে দি, বাংলার কিছু মিডিয়া লাগাতার এই ইস্যুতে সাধারণ মানুষের ব্রেনওয়াশ করার কাজ করছে। টাকা নিয়ে সংবাদ প্রেরণ করা মিডিয়া মমতার দালালি করতে শুরু করে দিয়েছে। এর কারণ সাধারণ মানুষ যদি জেগে গিয়ে রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি জানাই তাহলে মমতার সরকার আরো চাপে পড়ে যাবে।

9 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.