Press "Enter" to skip to content

বড় খবর: মুখ পুড়লো রাহুল গান্ধীর! রাফেল নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে জমা দেওয়া হলো বিশেষ দস্তাবেজ।

বিমান নিয়ে যখন দেশের রাজনীতি চরম উত্তেজিত হয়ে রয়েছে সেই সময় বিরোধীদের সঠিক জবাব দেওয়ার জন্য নিয়ে নিলেন এক বড়ো সিদ্ধান্ত। এবার দেশের সর্বোচ্চ
আদালতে মোদী সরকার রাফায়েল সংক্রান্ত একটা রিপোর্ট জমা দিল। সেই রিপোর্টে স্পষ্ট ভাবে লেখা আছে রাফায়েল বিমান কেনা হয়েছে সবকিছু নিয়ম মেনে। কংগ্রেস যেসমস্ত নিয়ম তুচ্ছ করে রাফায়েল বিমান কেনার জন্য চেষ্টা করে কিনতে পারেনি সেই সব কিছু নিয়ম মেনেই মোদী সরকার কিনেছেন রাফায়েল বিমান।

কেন্দ্র সরকার জানিয়েছেন যে, রিলায়েন্স ডিফেন্স এবং ডসো বিমানচালনা এই দুই এর মধ্যে যখন এক মহড়া হয়েছিল তখন দুই কোম্পানিই তাদের শক্তি প্রদর্শন করেছিল। তাই এই বিমান কেনার জন্য তাদের কাছেও বিশেষ পরামর্শ নেওয়া হয়েছে। এই বিমান কেনার জন্য ভারতের অনেক কোম্পানির সাথেও চুক্তি হয়ে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই জন্য কেন্দ্র সরকার সুপ্রিমকোর্টে যে নথিগুলি জমা দিয়েছেন আসুন সেই গুলি দেখে নেওয়া যাক এক নজরে।

১) DPP প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ রুপে মেনেই এই সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে। কার্গিল যুদ্ধের পর দেশের রক্ষা ব্যাবস্থায় অনেকটা পরিবর্তন আনা উচিৎ ছিল। কারন তারপর থেকে অনেক যুদ্ধ বিমান নষ্ট হয়ে যাচ্ছিল। তাই দেশের সুরিক্ষার কথা মাথায় রেখেই রাফায়েল বিমান কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভারত সরকার ২০০১ সাল থেকে এই বিমান কেনার চেষ্টা করছিল কিন্তু সম্ভব হয় নি তাই এখন এই বিমান কেনা হল।
২)২০১৩ সালের ডিপিপি নিয়ম মেনেই এই বিমান কেনা হয়েছে এছাড়াও এই বিমান কেনার সময় নুতন আইন অর্থাৎ ২০১৬ সালে যে ডিপিপি আইন করা হয়েছিল সেটাও মানা হয়েছে।
৩)এই বিমান কেনার প্রক্রিয়ায় সামিল ছিলেন সচিব, প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সচিব, প্রতিরক্ষা সচিব, প্রতিরক্ষা ফাইনান্স এনারা প্রত্যেকেই কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের অন্তভুক্ত। ফলে তাদের সকলের মতামত নিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

৪)২০১৩ সালের ইন্টার গভর্নমেন্ট এগ্রিমেন্ট এর ডিপিপি অনুসারে এটা বলা হয়েছে যে যদি ভারতের কোনো অস্ত্র প্রয়োজন হয়ে তাহলে সেটা যে কোনো মিত্র দেশের কাছে সহজেই কিনতে পারবেন। এর জন্য শুধুমাত্র প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের আদেশ থাকলেই হবে। আর এর জন্য আলাদা করে ১০০০ কোটি টাকা অনুমোদন করা থাকে।
৫) ডিপিপি -2013 সালের 72 নং অনুচ্ছেদে বলা আছে যে, ভারতের স্বার্থের জন্য বিভিন্ন পন্য ক্রয়ের জন্য আন্তঃসরকারী পরামর্শ করা যেতে পারে। এছাড়া যদি অস্ত্রশস্ত্র কেনার দরকার পরে তাহলে শুধুমাত্র অর্থদপ্তরের সাথে কথা বলেই সেই ব্যাপারে মিত্রদেশের সাথে চুক্তি করা যাবে।

৬)এছাড়াও আইজিএ এর মতামত অনুসারে যদি কোনো মিত্রদেশের কাছে এইভাবে যন্ত্রাংশ কেনাবেচা করা হয় তাহলে সমরিক সম্পর্ক অনেকটা বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করা হয়।
৭)এছাড়াও ভারতীয় বিমানবাহিনীকে আরও মজবুত করার জন্য প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে ১২৮ টি বিমান কেনার জন্য বিড পাশ করা হয়েছিল। তারফলে রাফায়েল ৩৬ টি বিমান সেই বিড পাশ কেও মেনে করা হয়েছে। এছাড়াও দেশের সুরক্ষার জন্য যেসমস্ত আইন করা হয়েছে সেই সকল আইন মেনেই এই রাফায়েল চুক্তি করা হয়েছে এমনই এক বিল সুপ্রিমকোর্টে পেশ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।
#অগ্নিপুত্র