আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতের বড় সফলতা! ইরানের চাবাহার বন্দরের নিয়ন্ত্রণ এলো ভারতের হাতে।

আন্তর্জাতিক স্তরে ভারত আরো একবার বড় সফলতা নিয়ে এসেছে, ইরানের রণনীতি দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ চা বাহার বন্দরের নিয়ন্ত্রণের কাজ এবার ভারতের হাতে চলে এসেছে। চা বাহার ভারতের নিয়ন্ত্রণে আসায় ভারতের সামরিক শক্তিতে বৃদ্ধি ঘটবে এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। একইসাথে চা বাহার পোর্ট বাণিজ্যিক দিক দিয়েও একটা বড় ভূমিকা পালন করবে। এই প্রথমবার কোনো বিদেশী বন্দরের নিয়ন্ত্রণ ভারতের হাতে এসেছে। এই বন্দরগাঁও ইরানের সমুদ্রের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত যা পাকিস্থান ও আফগানিস্তান থেকে খুব কম দূরত্বের মধ্যে অবস্থিত। এর থেকে ভারতের মধ্যপূর্ব দেশের থেকেও দুরত্ব অনেকটা কমে যাবে। সূত্র থেকে প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, চা বাহার পোর্ট ভারতের সুরক্ষা বাবস্থ্যার উপরেও একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

এই চা বাহার বন্দরের ইস্যুতে ভারত ও ইরানের মধ্যে আলোচনা অটল বিহারীর আমল থেকে চলে আসছে বলে অনেকের দাবি, কিন্তু ২০১৪ এর শেষদিকে এই ইস্যুতে ভারত সফলতা লাভ করে। ২০১৪ সালে দুই দেশ চা বাহার বন্দরগাঁওকে বিকশিত করার ইস্যুতে হস্তাক্ষর করে।

এরপর ২৩ মে ২০১৬ তে আরো একটা গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়। যার মাধ্যমে বর্তমানের ১০ বছর এই বন্দরগাঁও ভারতের নিয়ন্ত্রণে থাকেব। ইরানের রাষ্ট্রপতি হাসান রুহানি ২০১৮ এর ভারতে যাত্রায় এসে মোদী সরকারের সাথে আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ চুক্তির ব্যাপারে আলোচনা করেন। সেই চুক্তিতে ইরান চা বাহার বন্দরকে বাণিজ্যিকভাবে ব্যাবহার করার জন্য অনুমতি প্রদান করে।

ভারত এই বন্দরগাঁও এর বিকাশের জন্য ৮৫.২১ মিলিয়ন ডলার খরচ করেছে। ইরানের তেল গ্যাস উৎপন্ন প্রান্ত বেলুচিস্তান প্রান্তে চা বাহার বন্দরগাঁও অবস্থিত রয়েছে। পাকিস্থানের গোয়াদার পোর্ট থেকে এর দূরত্ব মাত্র ৮০ কিমি। গোয়াদার পোর্টের উপর চীনের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে এর উপর নির্ভর করে চীন মধ্যে এশিয়ার উপর নিজের প্রভাব বিস্তার করে। এই পরিস্থিতিতে চা বাহার বন্দর সুরক্ষা ও বাণিজ্যিক দুই দিক থেকেই ভারতের জন্য জরুরী তা নিয়েও কোনো সন্দেহ থাকে না।

Leave a Reply

you're currently offline

Open

Close