Press "Enter" to skip to content

পাকিস্থানি মুসলিমদের শুয়োরের মাংস খাইয়ে দিল চীন! ইসলামাবাদ সহ পুরো পাকিস্থান জুড়ে হাহাকার।

বন্ধুতের নামে কেউ এত বড় ক্ষতি করে দিতে পারে এমনটা চিন্তা করাও বড় ব্যাপার। আসলে পাকিস্থান ও চীনের বন্ধুতের মধ্যে এমন ঘটনা সামনে এসেছে যা পুরো বিষয়কে উঠালপাথাল করে দিয়েছে। প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, পাকিস্থানের রাজধানী সহ বাকি ছোট শহরের মধ্যে হাহাকারের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এর কারণ পাকিস্থানের মুসলিমদের না জানিয়েয় তাদেরকে শুয়ারের মাংস খাইয়ে দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, পাকিস্থানি মুসলিমদের খাইয়েছে তাদের প্রিয় মিত্র চীন। আসলে পাকিস্থানে এখন চীন ব্যাপকহারে নিজের ব্যাবসা শুরু করে দিয়েছে। চীন পাকিস্থানের প্রত্যেক শহরে নিজেরদের রেস্তুরা খুলেছে যেখানে আসা পাকিস্থানিদের নান রকম চাইনিজ খাবার সরবরাহ করা হয়।

সম্প্রতি জানা গেছে যে চীনের ওই সমস্থ রেস্টুরেন্টে খাবারের সাথে শুয়োরের মাংস মেশানো থাকতো। জানিয়ে দি, ইসলামের মত অনুযায়ী শুয়ারের মাংস হারাম। মুসলিমদের কড়া নির্দেশ থাকে শুয়োরের মাংস থেকে দূরে থাকার জন্য। যদি মুসলিমরা শুয়োরের মাংস থেকে দূরত্ব বজায় না রাখে তবে তারা লাভ করতে পারবে না।

শুয়োরের মাংস না খাওয়াটা পাকিস্থানি মুসলিমদের ধার্মিক আস্থার সাথে অতপ্রোত জুড়ে থাকে। শুধু পাকিস্থানের নয়, বিশ্বের কোনো প্রান্তের শুয়োরের মাংস খাই না। কিন্তু চীন সমস্থ কিছু জেনেও পাকিস্থানীদের সাথে বড়রকমের ধোঁকা দিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাকিস্থানিদের হুশ উড়ে গিয়েছে এবং ঘটনার উপর ক্ষোভ প্রকাশ করতে শুরু করেছে পাক সরকার মিডিয়াকে এই ঘটনা নিয়ে তোলপাড় না করার জন্য নির্দেশ জারি করেছে যদিও এত বড় খবর কোনোভাবেই লুকিয়ে রাখতে পারছে না পাকিস্থান।

অবশ্য পাকিস্থান এই ইস্যুতে চীনের উপর বিশেষ কোনো চাপ সৃষ্টি করতে পারেনি। কারণ পাকিস্থান এখন পুরোপুরি চীনের কূটনৈতিক চালে ফেঁসে গিয়েছে। পাকিস্থানের সরকার চেয়েও কিছু কড়া পদক্ষেপ নিতে পারছে না। এই ঘটনায় পাকিস্থান সরকার চীনের প্রত্যেক রেস্টুরেন্টকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা লাগিয়েছে। চীন পাকিস্থানের ধার্মিক আস্থা নিয়ে খেলা করেছে তাই চীনের উপর কড়া একশন নেওয়া উচিত বলে মত পাকিস্থানের মুসিলমদের।

তবে এই প্রথম নয়, এর আগেও চীন নিজের দেশে থাকা মুসলিমদের উপর দমনমূলক অত্যাচার চালিয়েছিল। চীন তাদের দেশের মুসলিমদের জোর করে শুয়োরের মাংস খাওয়ানোর সাথে সাথে তাদের থেকে কোরান ছিনিয়ে নিয়েছিল। শুধু এই নয়, চীনের সরকার মসজিদের ইসলামিক পতাকা খুলে দেশীয় পতাকা লাগিয়ে দিয়েছিল। যদিও এ নিয়ে মিডিয়া বা বুদ্ধিজীবি সমাজ কেউই অসহিষ্ণুতা দেখতে পাইনি। অন্যদিকে ভারতের মতো দেশে আমির খান, নাসিরউদ্দিন নিজেকে অসুরক্ষিত মনে করে।

9 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.