Press "Enter" to skip to content

পাকিস্তানের সমর্থনে ব্যাট ধরল কংগ্রেস নেতা তথা মন্ত্রী নবজ্যোত সিং সিধু

জম্মু কাশ্মীরে পুলওয়ামায় সিআরপিএফ এর কনভয়ে হওয়া জঙ্গি হামলায় প্রথম প্রতিক্রিয়া দিলেন পাঞ্জাব ক্যাবিনেট মন্ত্রী নবজ্যোত সিং সিধু। চন্ডিগড়ে প্রেস মিটিং এ নবজ্যোত সিং সিধু এর কাছে পাকিস্তান এর এই ষড়যন্ত্র নিয়ে প্রশ্ন করা হলে উনি বলেন, ‘যেই ঘটনা ঘটেছে সেটা নিন্দনীয়, আমি এটার নিন্দা করি। আর এটাই বলতে চাই যে জঙ্গিদের কোন দেশ নেই। জঙ্গিদের কোন ধর্ম নেই। ওদের কোন জাত নেই”

তবে নবজ্যোত সিং সিধু এই ঘটনার নিন্দা করেছেন। আর বলেছেন এই ঘটনা যারা ঘটিয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেওয়া হোক। নবজ্যোত সিং সিধু সেই নেতা যিনি কয়েকমাস আগে পাকিস্তানে গিয়ে পাকিস্তানিদের চরম প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন। উনি পাকিস্তানকে নিজের ঘর বলে পরিচয় দিয়েছিলেন। এমনকি উনি পাকিস্তানকে ভারতের থেকে সুন্দর এবং ভালো দেশ হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন!

Pro-Khalistan Activist Gopal Singh Chawla with sidhu

এমনকি উনি পাক সেনা প্রধান যিনি সন্ত্রাসবাদের জনক বলে পরিচিত, তাকে গলায় জড়িয়ে ধরে ভাই বলে সম্বোধন করেছিলেন। এমনকি ভারত থেকে পাঞ্জাব কে ভাগ করতে চাওয়া খালিস্তানি জঙ্গি গোপাল চাওলার সাথেও সাক্ষাৎ করে প্রফুল্লিত হয়েছিলেন।

শুধু সিধুই না, কংগ্রেসের ওনেক নেতাই এখন পাকিস্তানের তদারকি করতে ব্যাস্ত। আর এই জঙ্গি হামলাকে রাজনিতিক রুপ দিয়ে দিয়েছেন। কংগ্রেস নেতা তথা মুখপাত্র রণদিপ সিং সুরজেওয়ালা এই হামলাকে নরেন্দ্র মোদীর ব্যার্থতা বলেছেন। আরেকদিকে কংগ্রেসের আরেক নেতা এবং বিশিষ্ট আইনজীবী কপিল সিব্বল এই ঘটনা নিয়ে বলেছেন, ‘দেশে কট্টর জাতিয়তাবাদীরা মাথা তুলেছে বলে এই হামলা হয়েছে”

কংগ্রেসের আরেক নেতা সুশীল সিন্ডে আরেকধাপ এগিয়ে গিয়ে, এই ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে ভারতের করা স্যার্জিক্যাল স্ট্রাইকের দোষ দিয়েছেন। এই হামলার পর থেকেই কংগ্রেসের বিভিন্ন নেতারা সেনার পাশে আর সরকারের পাশে দাঁড়ানোর চেয়ে কেন্দ্র সরকারকে দোষ দেওয়ার কাজকেই শ্রেয় মনে করেছেন।

কিন্তু ২৬/১১ এর হামলার পর বিজেপি বিরোধী দল থাকা স্বত্বেও তাঁরা কংগ্রেসের উপর দোষারোপ না করে দেশ সেনা এবং সরকারের পাশে দাঁড়িয়েছিল। আর এটাই হল পার্থক্য একটা দেশপ্রেমী দল আরেকটা পারিবারিক সলের সাথে।

5 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.