Press "Enter" to skip to content

মমতার সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন চন্দ্র কুমার বোস! রাজ্যে গণতন্ত্র বাঁচানোর দাবি তুললেন চন্দ্র বোস।

মোদির নতুন উদ্যোগে রাজ্যজুড়ে রথযাত্রার আয়োজন করতে চলেছে বিজেপি সরকার।বিজেপির এই নতুন পদক্ষেপ কে ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে শাসকদল এবং বিজেপি নেতাদের মধ্যে মতবিরোধ।তারই মধ্যে আবার যুব তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর রথের চাকা আটকানোর হুমকি।আসাম দুর্ঘটনার দরুন তৃণমূল এর প্রতিবাদ মিছিলে হুমকি দিয়েছেন “দিদি একবার নির্দেশ দিক তাহলেই রথের চাকা আটকে দেব।” এরই প্রত্ত্যুতরে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন “কারোর নির্দেশ এর তোয়াক্কা করি না রথ বেরোবে রথ চলবে।পারলে তৃণমূল আটকে দেখাক।সাহস থাকলে কারোর আদেশ নির্দেশ এর প্রয়োজন হয় না ।”

অন্যদিকে রথযাত্রার অনুমতি সংক্রান্ত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি এখনো। রাজ্য প্রশাসন এখনো রথযাত্রা বের করবার অনুপটি প্রদান করেনি বিজেপিকে ।এ বিষয়ে চন্দ্র কুমার বোস তীব্র নিন্দা করেন তৃণমূলের। উনি জানালেন- “তৃণমূল কংগ্রেস এর বিপক্ষ অবস্থানকারী কোনো দল এরই রাজনীতিতে কোনো স্থান নেই।তাদের মধ্যে যদি কেউ বিজেপি করে তাহলে তাদের মারধর করা হছে,তাদের পরিবারের ওপর অত্যাচার করা হচ্ছে ।

 

 

কিন্তু এত কোনো গণতান্ত্রিক নিয়ম এর মধ্যে পড়ে না ।যে বিষয় এ তিনি আরও বলেন পশ্চিমবঙ্গে কোনো গণতান্ত্রিক ব্যাবস্থা নেই তা গ্রাম পঞ্চায়েত নির্বাচনিতেই স্পষ্ট ভাবে প্রমাণিত।রাজ্যের ৩৫ শতাংশ আসনে নির্বাচন হওয়া সত্ত্বেও বিপক্ষে কোনো প্রাথী ছিল না।বিভিন্ন জায়গায় অন্যান্য দলের প্রায় ৬০ জন কর্মী খুঁন হয়েছে এবং বিজেপি কর্মীর খুনের সংখ্যা ৩০।

জানিয়ে দি, চন্দ্রকুমার বোস বিজেপির নেতা হলেও উনি রাজনীতি কম করেন এবং স্পষ্ট কথা বেশি বলেন। এমন বহুবার হয়েছে যখন চন্দ্র কুমার বোস নিজের দলের খারাপ কাজের বিরোধিতা করেছেন। এই বিশেষ কারণেই রাজনীতি থেকে দূরে থাকল জনগণও চন্দ্র কুমার বোসের মতো নেতাদের খোলাখুলিভাবে সমর্থন করেন।