Press "Enter" to skip to content

রাহুল গান্ধী একজন বর্নশঙ্কর ব্যাক্তি! কখনো করতে পারবেন না দেশের মঙ্গল।

চান্যক নীতি এবং আমাদের শাস্ত্রের থেকে থেকে গুনবান কি কোনকিছু হতে পারে! কিছু না। – যখন ভারতের জনগণ শাস্ত্র মেনে চলতো , চান্যক নীতি মেনে চলতো তখন ভারত বিশ্বে সবথেকে আগে ছিল, সেটা অর্থের দিক থেকে হোক বা ক্ষমতার দিক থেকে হোক। চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যা ইউরোপের আক্রমণকারীদেরও হারিয়েছিলেন। চন্দ্রগুপ্তের শাসনকালে ভারতকে সোনার পাখি বলা হতো। যেই মাত্র আমরা চান্যক নীতি ও শাস্ত্র থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে শুরু করেছি ঠিক তখন থেকেই আমাদের পতন শুরু হয়ে গিয়েছে। আজ ভারত একটা সেকুলার দেশ, যা পতনের দিকেই দিশা দেখাচ্ছে। কারণ সেকুলার আখ্যার আড়ালে হিন্দু জাতি শেষ হলেই ভারতও বহুখণ্ডে বিভক্ত হয়ে যাবে। সেলুকাস চন্দ্রগুপ্তের সাথে যুদ্ধে হেরে গেছিলেন কিন্তু সরাসরি হার মানার থেকে উনি সন্মানজনক চুক্তি করতে বেশি পছন্দ করেছিলেন। তাই নিজের কন্যা হেলেনকে বিবাহের পস্তাব চন্দ্রগুপ্তের কাছে পাঠিয়েছিলেন।

হেলেন ইউরোপের সবথেকে সুন্দরী কন্যা ছিলেন অন্যদিকে চন্দ্রগুপ্ত কালো চামড়ার ব্যাক্তি ছিলেন। রাজ দরবারে চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য এর বিয়ে সম্পর্কে আলোচনার সময় সবার সামনে চান্যক বলেছিলেন হেলেন এবং মহান চন্দ্রগুপ্তের মধ্যে বিবাহ খুবই ভালো ব্যাপার এতে দুটি সঙ্গস্কৃতি, দুটি সভ্যতা, দুই দেশের স্থাপত্যকলা, নিত্যকলা সবকিছু একে অপরের সংস্পর্শে আসবে কিন্তু হেলেনের থেকে জন্ম নেওয়া পুত্র কখনো পাটলিপুত্রের সিংহাসনে বসতে পারবে না। কারণ বর্নশঙ্কর সন্তান কখনো দেশ ও সমাজের ভালো করতে পারে না। আর এটাই করা হয়েছিল, হেলেন ও চন্দ্রগুপ্তের পুত্র সন্তান হয়েছিল কিন্তু তাকে কখনো সিংহাসনে বসতে দেওয়া হয়নি।

বর্নশঙ্কর কি- যখন কারোর বিবাহ হয় সেখানে স্বামী ও স্ত্রী যদি আলাদা আলাদা সঙ্গস্কৃতির হয়ে থাকে উদাহরণ স্বরূপ রাজীব গান্ধী(খান) এবং ইতালির এন্টোনিয়া মিয়ানো আলাদা আলাদা সভ্যতা ও সঙ্গস্কৃতির ছিলেন। এই রকম ভিন্ন সঙ্গস্কৃতির মানুষের বিবাহ পর জন্ম নেওয়া সন্তানকে বর্নশঙ্কর বলা হয়। রাহুল গান্ধী একজন বর্নসঙ্কর ব্যাক্তি কারণ উনার মা ও পিতা আলাদা আলাদা সভ্যতা ও সংস্কৃতির।

রাহুল গান্ধী ১০০% ভারতীয় নয়, ৫০% ভারতীয় হলে ৫০% বিদেশী গুন, আচরণ উনার মধ্যে বর্তমান। আর চান্যক নীতি ও আমাদের শাস্ত্রে বলা হয় বর্নশঙ্করকে কখনো ক্ষমতা দেওয়া উচিত কাজ নয়। কিছুদিন আগে মায়াবতী রাহুল গান্ধীকে নিয়ে এই কথায় বলেছিলেন, মায়াবতী বলেছিলেন রাহুল গান্ধীর পিতা মাতা আলাদা আলাদা সভ্যতার তাই নরেন্দ্র মোদীর সাথে কখনো টক্কর দিতে পারবে না।

বর্নশঙ্কর সন্তানকে কখনো পলিসি মেকিং শাসনতন্ত্রে ক্ষমতা দেওয়া উচিত নয়। রাহুল গান্ধী আমেঠির সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন। যদি রাহুল গান্ধী ভালো কাজে দক্ষ হতেন তাহলে আমেঠিতে উন্নতি হওয়া উচিত ছিল, একটা উন্নত শহরে পরিণত হওয়া উচিত ছিল কিন্তু বাস্তবে আমেঠি আফ্রিকার এলাকার মতো পিছিয়ে পড়া একটা স্থান। একজন বর্নশঙ্কর রাহুল গান্ধী আমেঠির উন্নতি করতে পারেননি তাহলে কিভাবে উনি দেশের প্রধানমন্ত্রী পদে বসে সমাজের উন্নতি করবেন। আমাদের উচিত আমাদের শাস্ত্র ও চান্যক নীতির উপর  অটল থাকা তবেই দেশ এগোবে নতুবা পতন আমাদের হবে।