Press "Enter" to skip to content

বাড়ির খাবার খেতে চেয়েছিলেন চিদাম্বরম! না পেয়ে ক্ষুদার্থ অবস্থায় রাত কাটালেন CBI দপ্তরে।

প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরমকে 21শে সেপ্টেম্বর রাতের দিকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়ার পর তিনি না খেয়ে প্রথম রাতটি হেফাজতে কাটিয়েছিলেন। কারণ, তিনি বাড়ির খাবার খেতে চেয়েছিলেন, কিন্তু ের অনুমতি না পাওয়া পর্যন্ত  তাকে বাড়ির খাওয়ার দেওয়া সম্ভব ছিলনা। আর চিদাম্বরম  ক্যান্টিনের খাওয়ার খাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছিলেন তাই সেদিন রাত তা চিদাম্বরম না খেয়েই কাটান। এছাড়া সেদিন তিনি CBI এর জিজ্ঞাসা করা প্রশ্নেরও সঠিকভাবে উত্তর দিচ্ছিলেন না বলে জানিয়েছে সিবিআই কর্মকর্তারা।

জানা গেছে যে, চিদাম্বরম সারা রাত চুপচাপ ছিলেন। তিনি শুধু  সিবিআই এবং ডাক্তারদের সাথে একটু কথা বলেছিলেন। চিকিৎসকরা তাকে তার স্্থ্যের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেছিলেন এবং  চেকআপ করেছিলেন, যা স্বাভাবিকই ছিল। চিদাম্বরমকে গ্রাউন্ড ফ্লোরে স্যুট -5 এ রাখা হয়েছে এবং সিবিআই কর্মকর্তারা তার সুরক্ষার দায়িত্বে আছেন। চিদাম্বরমের উপর নজর রাখার জন্য ও সুরক্ষা ব্যাবস্থা ঠিকঠাক আছে কিনা সেগুলি পর্যবেক্ষণ করতে সিসিটিভি ক্যামেরাও ব্যবহার করা হয়েছে। যার মাধ্যমে 24X7 চিদাম্বরমের উপর নজর রাখা হচ্ছে।

সিবিআই উনাকে দুর্নীতির মামলার সাথে সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেছিলেন। এছাড়া বিদেশী সংস্থা এবং অর্থপ্রদানের পদ্ধতি সম্পর্কেও তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। খবর পাওয়া গেছে যে সিবিআই এই বিষয়ে তিনটি দেশের কাছে  চিঠি লিখেছে ও এই লেনদেন সম্পর্কে তথ্য দেওয়ার জন্য দাবি করেছে। পি চিদাম্বরমকে উত্তর ব্লকের পিটার মুখোপাধ্যায় ও ইন্দ্রাণী মুখোপাধ্যায়ের সাথে তাঁর সাক্ষাৎ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল কিন্তু, চিদাম্বরম  এই দুজনের সাথে সাক্ষাতের ব্যাপারকে পুরোপুরি অস্বীকার করেন।

এছাড়া সিবিআই চিদাম্বরমকে আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন করে, যেমন- চেজ ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি এবং অ্যাডভান্টেজ আর এসব্রিজ কোম্পানি। এছাড়া এগুলো ছাড়াও কার্তি চিদাম্বরমের সংস্থাগুলির সম্পর্কেও প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। আর এটাও চিদাম্বরমকে ভাস্কর রমন নামক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে চিদাম্বরম তাকে  চেনেন কি না। চিদাম্বরমের ছেলেকে নিয়েও সিবিআই জিজ্ঞাসা করে যে আইএনএক্স মিডিয়া কেন আপনার ছেলের সংস্থাকে কিস্তিতে কোটি কোটি টাকা দিয়েছে ইত্যাদি ইত্যাদি। তবে একটি লক্ষণীয়  বিষয়  হলো যে, চিদাম্বরমকে দিল্লি হাইকোর্ট অগ্রিম জামিন দেয়নি। কিন্তু তা সত্ত্বেও তার আইনজীবীরা সুপ্রিম কোর্টে যান।