Press "Enter" to skip to content

মোদীর দেখানো পথে হাঁটছে চীন! মোদীর স্বচ্ছ ভারত মিশনের মতোই এবার চীনে শুরু হচ্ছে টয়লেট ক্রান্তি।

দেশে প্রধানমন্ত্রী পদে বসার পর থেকেই একের এক পর বড়ো পদক্ষেপ নিয়ে বিশ্বকে চমকে দিয়েছেন। GST হোক, নোটবন্দি হোক বা স্বচ্ছভারত অভিযান হোক, সকল পদক্ষেপেই বিশ্বজুড়ে সুনাম কামিয়েছেন । ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্ক থেকে শুরু করে IMF এর মত বড়ো সংস্থাগুলি স্বীকার করে নিয়েছে যে বর্তমানে ভারতের বৃদ্ধির হার সবথেকে দ্রুত। ২০১৪ এর পর থেকে ভারত যে হারে বিকশিত হচ্ছে সে হারে না বিকাশ করেছিল না আমেরিকা বিকাশ করেছিল। আসলে এত দ্রুত গতিতে বিকাশের মূল কারণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্ব। জানলে অবাক হবেন যে চীন এতদিন নরেন্দ্র মোদীকে গালাগালি করে তারাও আজ মোদীর পরিশ্রমের কাছে মাথানত করেছে।সম্প্রতি সরকারি সংবাদ মাধ্যম ‘’ নরেন্দ্র মোদীর প্রশংসায় মুখরিত হয়েছিল।

শুধু এই নয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দেখানো রাস্তায় এবার চলতে শুরু করেছে চীনের রাষ্ট্রপতি সি জিনপিং। ২০১৪ সালে আসার পর সচ্ছভারত অভিযান মিশন এর জন্য কাজ শুরু করেছিল। আর এখন ভারতের সেই মিশন অনুসরণ করেই চীনও কাজ শুরু করে দিয়েছে। স্বচ্ছ ভারত’ মিশনের মতো করেই এবার চিনে টয়লেট ক্রান্তি মিশন শুরু করেছে সি জিনপিং। এই লক্ষ্যে সি জিনপিং দেশের টয়লেটগুলোকে আপগ্রেট করতে আধিকারিকদের কড়া নির্দেশ দিয়েছেন। এমনকি গ্রামীন অঞ্চলগুলোতে মানুষের জীবনের স্তরকে উন্নত করার জন্য টয়লেট নির্মাণ ও আপগ্রেট করার পক্রিয়া শুরু হয়েগিয়েছে।

ইতিমধ্যে পর্যটক স্থলের কাছে থাকা ৬৮,০০০ টয়লেটকে আপগ্রেট করা সম্পন্ন হয়েছে। চীনের এজেন্সি সিন হুয়া এর মতে ‘এই কাজে দেশের জন্য একটা বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ কাজ হবে। দেশকে উন্নত ও পরিবর্তন করার লক্ষ্যে এটা একটা ভালো স্ট্রাটেজি। ভালো প্রচেষ্টার সাথে কাজ করে লক্ষ্য পূরণ করতে হবে যাতে গ্রামীন ও শহুরে মানুষের জীবনের মানকে উন্নত করা যায়। মোদী সরকার দেশের শৌচালয় নির্মাণের জন্য ২০১৯ পর্যন্ত একটা লক্ষ রেখে কাজ করছে আর চীনও সেইভাবেই এগোতে চাইছে। যদিও ভারতে উত্তরপ্রদেশের মতো কিছু কিছু রাজ্য সেই লক্ষ্যকে পর করে নতুন রেকর্ড তৈরি করেছে।

আপনাদের জানিয়ে সচ্ছ ভারত অভিযান বা শৌচালয় নির্মাণে ভারতের জনগণের জীবনে কতটা প্রভাব ফেলবে এটা কেউ আন্দাজ করতে পারেনি। এমনকি টয়লেট নির্মাণকে দেশবাসী এতটা গুরুত্বও দেয়নি। কিন্তু এখন WHO রিপোর্ট বের হওয়ার ওর সাফ হয়ে যায় যে মোদী সরকারের পরিকল্পনা মানুষের জীবনকে কতটা পরিবর্তন করতে সক্ষম হচ্ছে। ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন সরাসরি জানিয়েছে যে এই পদক্ষেপের জন্য ভারতের গ্রামীন মানুষের জীবনে একটা বড় পরিবর্তন আসছে। বহু লক্ষ মানুষ সংক্রমণ রোগের হাত থেকে বাঁচতে পারছে বলে জানিয়েছে WHO সংস্থা।