Press "Enter" to skip to content

চীন ব্যান করেছে খ্রিস্টমাস ডে ! বন্ধ সমস্ত খ্রিস্টমাস সংক্রান্ত জিনিসপত্র , কিন্তু বুদ্ধিজীবিদের মতে অসহিষ্ণু ভারত ?

সামনে লোকসভা নির্বাচন যার আভাস পাওয়ার পর থেকে নাসিরুদ্দিনের মতো লোকেদের কাছে ভারত দেশ অসহিংষ্ণু হয়ে উঠেছে। ভারতে বসবাস করতে অসুরক্ষিত মনে হতে শুরু হয়েছে। ভারতের প্রতিবেশী দেশ পাকিস্থান পর্যন্ত ভারতকে সংখ্যালঘু রক্ষা নিয়ে জ্ঞান দিতে শুরু করেছে। এটা সেই পাকিস্থান যেখানে হিন্দু খুঁজে পেতে হলে আতস কাঁচ নিয়ে যেতে হয়। বুদ্ধীজীবিরা মানবঅধিকারের দৃষ্টি ভারতের দিকে আকর্ষণ করতে ব্যাস্ত রয়েছে কিন্তু ইসলামিক দেশ পাকিস্থান বা বাংলাদেশের হিন্দুদের অবস্থা নিয়ে প্রতিবাদ করার জন্য কোনো ব্যক্তি দাঁড়িয়ে নেই। বামপন্থী, কট্টরপন্থী ও তথাকথিত বুদ্ধিজীবিরা ধর্মনিরপেক্ষতার সুযোগ নিয়ে ভারতকে অসহিষ্ণু বলার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে।

তবে এমন পরিস্থিতে জিনপিং ে যা শুরু করেছে তাতে ঘুম উড়ে গেছে কট্টরপন্থী ও বামপন্থীদের। এমনকি ের পদক্ষেপে মুখ খুলতে নারাজ পাকিস্থান। জিনপিং মুসলিমদের উপর কড়া নিষেধাজ্ঞা লাগানোর পর এখন খ্রিষ্টানদের বড়ো দিনের উপর আগুন ঝরাতে শুরু করেছে। খ্রিস্ট মাসের সাথে সম্পর্কিত সমস্থ রকমের জিনিসপত্র বিক্রির উপর ব্যান লাগিয়ে দিয়েছে সরকার। উত্তর ের বেশ কয়েকটি প্রমুখ চার্চকে বন্ধ রাখা হয়েছে।

খ্রিস্টমাস ডে উপলক্ষে কোথায় কোন থিম ব্যাবহার হচ্ছে এবং থিমের ব্যাবহারের মাধ্যমে মানুষজনকে খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণে উৎসাহিত করছে কিনা তার দিকে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে। চীন সরকারের দাবি চীনের মানুষকে ধর্ম পরিবর্তন করিয়ে চীনের বিরুদ্ধেই ব্যাবহার করতে চাই ভ্যাটিকান সিটি।

তাই চীন সরকার খ্রিস্টমাস পালনের উপর কড়া নজরদারি চালাচ্ছে। একদিকে পুরো বিশ্বের খ্রিষ্টান সমাজ আমদের সহিত আনন্দ উৎযাপিত করছে সেখানে চীন দেশে কঠোর দমন শুরু হয়েছে খ্রিস্টানদের। অবশ্য এই নিয়ে চীনের বিরূদ্ধে কিছু বলার মুখ নেই বামপন্থী বা কট্টরপন্থীদের।।

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.