প্রধানমন্ত্রীর অরুনাচল সফরের পর আতঙ্কিত চীন, বিদেশ মন্ত্রালয় ড্রাগনকে দিলো কড়া জবাব

শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অরুনাচল সফরের বিরোধিতা করেছে প্রতিবেশী দেশ চীন। চীনের বিদেশ মন্ত্রী এই সফরের নিন্দা করে বলে, তাঁরা অরুনাচলের এই এলাকায় ভারতীয় নেতাদের সফরের চরম বিরোধিতা করেন। আগামী লোকসভা নির্বাচনকে মাথায় রেখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আর পূর্বের রাজ্য গুলির সফরে আছেন। আর সেই ক্রমেই উনি প্রথমে অরুনাচল প্রদেশ, দ্বিতীয় আসাম এবং শেষে ত্রিপুরাতে একটি করে জনসভা করবেন। আর প্রধানমন্ত্রীর অরুনাচল সফর নিয়ে চীন আপত্তি দেখায়।

দুই দেশ্র তরফ থেকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ভালো করার সব প্রয়াসই ব্যার্থ হচ্ছে। ভারত আর চীন সীমান্তের এই এলাকাতেই ১৯৬২ সালে যুদ্ধ হয়েছিল। আর তারপর চীন অরুনাচলের কিছু অংশকে তিব্বতের দক্ষিণ অংশ বলে ঘোষণা করে। দুই দেশের এটি খুব সংবেদনশীল ইস্যু।

India-China War of 1962

চীনের বিদেশ মন্ত্রালয় জানায়, ‘ চীন ভারতের কাছে এই আবেদন করছে যে, দ্বিপাক্ষিক সমন্ধ্যের অবস্থা দেখে চীনের চিন্তা আর তাঁদের প্রয়োজনের সন্মান করে। দুই দেশের সুসম্পর্কের উপর দৃষ্টিপাত করা উচিৎ। আর সেসব জিনিষ থেকে দূরে থাকা উচিৎ, যেগুলো নিয়ে বিবাদের সৃষ্টি হয়। সীমান্তে সমন্ধ্যিয় সংবেদনশীল ইস্যু গুলো আরও জটিল হতে পারে”

চীনের বিরধিতার পর ভারতের বিদেশ মন্ত্রালয় ও জবাব দেয়। বিদেশ মন্ত্রালয় জবাবে জানায়, ‘অরুনাচল প্রদেশ রাজ্য ভারতের এক অভিন্ন আর অভিভাজ্য অঙ্গ। ভারতীয় নেতারা সময় মত অরুনাচলের সফর করে, কারণ সেটি ভারতের অংশ। আর এই কথা অনেকবার চীনকে জানান হয়েছে”

দুই দেশই ২০১৭ এর ডোকালাম বিবাদের পর নিজেদের সম্পর্ক ঠিক করার চেষ্টা চালাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আর চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং গত বছর অনেকবার দুই দেশের সম্পর্ক ঠিক করার জন্য কথাবার্তা বলেছেন। ভারতীয় আধিকারিকরা জানান, যে এত কিছুর পরেও দুই দেশের মধ্যে ব্যাবসায়ীক সমন্ধ্য এখনো খুব একটা স্থিতিশীল নয়।

Leave a Reply

you're currently offline

Open

Close