স্কুলে হিন্দু বাচ্চাদের করা হচ্ছে ধৰ্ম পরিবর্তন! মিশনারিদের পূর্ন সমর্থন দিচ্ছে কেজরিওয়াল সরকার ।

ঘটনা কোনো কনভেন্ট মিশনারি স্কুলের নয়, বরং সাধারণ সরকারি স্কুলের ঘটনা। এমনিতে মিশনারি দ্বারা চালিত স্কুলে যেসব হিন্দুরা নিজেদের বাচ্চাদের পড়াশোনা করায় তাদের ছেলে মেয়ে হয় নিজের ধৰ্ম পরিবর্তন করে খ্রিস্টান ধৰ্ম গ্রহণ করে নতুবা কট্টর হিন্দু বিরোধী বামপন্থী হিসেবে বেরিয়ে আসে।দেশের ৯৯% বামপন্থীদের ব্যাক গ্রাউন্ডের মধ্যে একটা বিষয় কমন থাকে সেটা হলো সকলেই কোনো না কোনো কনভেন্ট মিশনারি স্কুল থেকে পড়াশোনা করেছে। তবে এবার মিশনারিরা সরকারি স্কুলগুলোকেও টার্গেট করতে শুরু করে দিয়েছে। দিল্লীর মুখ্যমন্ত্রী তথা ধর্মান্তরিত ক্রিষ্টান অরবিন্দ কেজরিওয়াল এই ব্যাপারে মিশনারিদের জমিয়ে সাপোর্ট দিচ্ছে। দিল্লীর বহু স্কুল থেকে এই ধরণের ঘটনা সামনে এসেছে যেখানে হিন্দু বাচ্চাদের ধর্মান্তরণ করার পক্রিয়া চলছে। ধর্মান্তরণ করার জন্য হিন্দু বাচ্চাদের বিশেষ ধরনের বই প্রদান করা হচ্ছে।

দিল্লীর গঙ্গাবিহারের শ্রী SR ক্যাপিটাল স্কুল থেকে এই ঘটনা সকলের সামনে আসে। শ্রী SR ক্যাপিটাল স্কুলে হিন্দু বাচ্চাদের খ্রিস্টান সাহিত্য দেওয়া হয়েছিল। যে শিক্ষক হিন্দু বাচ্চাদের এই বই বিতরণ করেছিল তার নাম সিমেন। হিন্দু বাচ্চাদের খ্রিস্টান বই দেওয়ার পর সেই বই প্রত্যেকদিন বাড়িতে পড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। শুধু এই নয়, শিক্ষকদের নির্দেশ ছিল, গণিত, বিজ্ঞান যাই পরীক্ষা হোক না কেন, এই বই পড়তেই হবে। বাচ্চারা এই বই নিয়ে বাড়ি গেলে কিছু সচেতন হিন্দু পরিবার বইয়ের ভেতরের তথ্য দেখে আঁতকে উঠেন।

কারণ বইয়ের ভেতরে খ্রিস্টান ধর্মকে বড়ো দেখিয়ে হিন্দু ধর্মের বিরুদ্ধে আপত্তিজনক মন্তব্য করা হয়েছিল। সচেতন হিন্দু পরিবার বাচ্চাদের কাছে থেকে বই নিয়ে স্কুলের সামনে পুড়িয়ে দেয় এবং বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। শিক্ষাদানের আড়ালে কুকাজ করে হিন্দু বাচ্চাদের ধর্মান্তরণ করার প্রক্রিয়া চালাচ্ছে খ্রিস্টান মিশনারি ও কেজরিওয়ালের সরকার। কেজরিওয়াল নিজেও একজন ধর্মান্তিরত খ্রিষ্টান। যার কারণে পুরো দিল্লীজুড়ে হিন্দুদের বিরুদ্ধে মিশনারীরা যে কু পরিকল্পনা চালাচ্ছে তাতে সাথ দিচ্ছে কেজরিওয়াল। মিশনারি পরিচালিত স্কুলের সাথে সাথে এখন দিল্লীর সরকারি স্কুলেও ব্যাপকভাবে হিন্দু বাচ্চাদের ব্রেন ওয়াশের কাজ চলছে।

হিন্দু বাচ্চাদের মানসিকভাবে ব্রেন ওয়াশের কাজ শুরু হয়েছে যাতে বেশি সংখ্যায় হিন্দুদের ধর্মান্তরণ করে খ্রিস্টান করা। আর যদি ধর্ম পরিবর্তন করা নাও যায় তাহলে যেন বামপন্থী হিসেবে সমাজে প্রকাশ পায় যারা পরবর্তীকালে হিন্দুদের বিরূদ্ধেই কথা বলবে।

Leave a Reply

Open

Close