Press "Enter" to skip to content

সোনিয়া, রাহুলের সাথে দেখা করার পরেই বড়ো ঝটকা পেল মমতা ব্যানার্জী।

দেশের প্ৰধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনপ্রিয়তাকে দেখে বিরোধী দলগুলি চিন্তায় পড়েছে। মোদীজির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য বিপক্ষ একজোট হয়ে নির্বাচন যুদ্ধের রণনীতি তৈরি করছে। কিন্তু একজোট হয়ে মহাজোট গঠন করতে গিয়ে এখন তারা নিজেরাই গর্তে পড়ছেন। মোদী সরকারের বিরুদ্ধে যে গড়ার কথা সেখানে এখন দুই পার্টির মধ্যে মতভেদের লড়াই শুরু হয়ে গিয়েছে। অপনাদের জানিয়ে রাখি, NRC ইস্যু নিয়ে যে ব্যানার্জী বিজেপির বিরুদ্ধে আক্রমণ করছিলেন তিনি এখন সমস্যায় পড়েছেন। একদিকে যখন উনি কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী ও সোনিয়া গান্ধীর সাথে দেখা করেন সেই সময় পশ্চিমবঙ্গেরই কংগ্রেস প্রদেশ সভাপতি মমতা ব্যানার্জীর উপর আক্রমন করে বসেছেন।

অধীররঞ্জন চৌধুরী তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জীকে একটা বড় ঝটকা দিয়েছেন যার পর মমতা আর কংগ্রেসের জোট ভেঙে পড়ার মতো অবস্থা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। অধীর চৌধুরী মমতা ব্যানার্জীকে প্রধানমন্ত্রী পদের লোভী বলে কটাক্ষ করেছেন। আসলে পশ্চিমবঙ্গের কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেছেন, মমতা গিরগিটির মতো রং পরিবর্তন করে এবং উনার উপর কখনোই ভরসা করা উচিত কাজ হবে না। উনি নিজের স্বার্থের জন্য মহাজোটকে ব্যাবহার করবেন এবং বাকিদলগুলির ক্ষতি করবেন।

অধীর মমতাকে স্বৈরাচারী শাসক বলে অভিহিত করেন এবং বলেন যে, মমতা বাংলার অবস্থা এমন করে রেখেছে যেন রাজনীতি করাই এখন পাপ। নির্বাচনে তৃনমূল অন্য দলেদের দাঁড়াতে পর্যন্ত দেয়নি সেই ব্যাপারেও মমতার নিন্দা করেন অধীর চৌধুরী।

একদিকে যখন মমতা ব্যানার্জী কংগ্রেসের সাথে জোট করার জন্য দিল্লীত আলোচনায় বসছেন তখন পশ্চিমবঙ্গেরই কংগ্রেস সভাপতি মমতার উপর ভরসা না করার উপদেশ দেন। এর থেকে এটা পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে যে মহাজোট বন্ধন হতে এখন অনেক দেরি রয়েছে। এটাও পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে যে যদি কোনোক্রমে মহাজোট বন্ধন হয়েও যায় তাহলে তাদের মধ্যে শিগ্রই গৃহযুদ্ধ লেগে সব শেষ হয়ে যাবে এবং মহাজোট ভেঙে যাবে।