Press "Enter" to skip to content

গুজরাট থেকে বিহারীদের তাড়ানোর পেছনে আসলে কার হাত, জানলে আপনিও রেগে লাল হবেন।

খুবই শয়তানি বুদ্ধির একটা পার্টি যারা খুব চালাকির সাথে রাজনীতি করে। আর এই কারণে পার্টি এত দুর্নীতি করেও দেশে বহু বছর রাজ করেছে। পার্টিকে ইংরেজরা তৈরি করে গেছিলো আর দেশে কিভাবে রাজ করতে হয় তার ট্রেনিংও কংগ্রেসকে দিয়েছিল। এখনো সেই নীতির উপরেই চলে। দু দিক থেকে খেলার পার্টি এই । যখন দেশে পিঁয়াজ,আলু সস্তা হয়ে যায় তখন এরা কৃষকদের উস্কানি দেয় দাম বাড়ানোর দাবি তুলে বিক্ষোপ করার জন্য। অন্যদিকে খাদ্য দ্রব্যের দাম বেড়ে গেলে সাধারণ জনগণকে বিভ্রান্ত করে উস্কানি দেয়। দেশের অবস্থা এমন করে রেখেছে যে ভারতীয়রা ভোট দেওয়ার সময় আলু,পেঁয়াজ,পেট্রোল, ডিজেলের দাম থেকে বেরিয়ে এসে দেশের স্বার্থে ভোট দিতে পারে না। এই কারণেই দেশে অটল ীর মতো নেতা দ্বারা পরিচালিত সরকার বেশিদিন টিকে না।

যাইহোক এখম আরো একবার কংগ্রেস সরকারের উপড়ে ফেলার জন্য শেষ চেষ্টা লাগিয়ে দিয়েছে যার প্ল্যান তৈরি করেছে ইতালির গান্ধী(আসল নাম-আন্তোনিয়া মিয়ানো) ও তার পুত্র (আসল নাম- রল ভিঞ্চ) । কংগ্রেস ে কর্মরত থাকা বিহার UP এর লোকেদের উপর আক্রমণ করাতে শুরু করে দিয়েছে অন্যদিকে UP ও বিহারে ের লোকদের উপর আক্রমণ শুরু করেছে। যেহেতু মোদী জাতিগত ভাবে ভেঙে পড়া হিন্দুধর্মের মানুষদের এক করতে সক্ষম হচ্ছে তাই এখন আবার হিন্দুদের রাজ্যের নামে ভেঙে ভোট লুটার পরিকল্পনা করেছে কংগ্রেস।

ইতালির সোনিয়া ও তার পুত্র রাহুল

জানিয়ে দি, বিজেপি সরকার গুজরাটে কড়া হাতে উৎপাতকারী দাঙ্গাবাজ কংগ্রেসেদের দমনে নেমে পড়েছে। বিজেপি সরকার লাগাতার কংগ্রেসীদের গেপ্তার করা শুরু করেছে। গুজরাটে ও বিহারের মানুষদের উপর আক্রমণকারী ব্যাক্তিদের মূল মাথা অল্পেশ ঠাকুর। অল্পেশ ঠাকুর অর্ধ-ভারতীয় রাহুল গান্ধীর খুবই ঘনিষ্ঠ একজন ব্যক্তি। কিছুদিন আগেই বর্নশঙ্কর রাহুল গান্ধী, অল্পেশ ঠাকুরকে কংগ্রেসের একটা বড়ো পদে নিযুক্ত করেছে। এখন গুজরাটে বিজেপির সরকার রয়েছে এবং বিজেপি একটা রাষ্ট্রীয় পার্টি। বিজেপি সরকার ৪০০ আতঙ্কবাদী কংগ্রেসিকে উৎপাত ও হিংসা ছড়ানোর জন্য গেপ্তার করে জেলে ঢুকিয়ে দিয়েছে।

অল্পেশ ঠাকুর

অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা সঞ্জয় নিরুপম বারাণসীতে(উত্তরপ্রদেশ) মানুষকে উত্তেজিত করছে এই বলে যে মোদী গুজরাতী, মোদী এলেই পিটিয়ে মারো। অর্থাৎ সব দিক থেকে গুজরাট ও মোদীকে জনগণের চোখে খারাপ বানিয়ে সরকার থেকে ছুড়ে ফেলার চেষ্টা চলছে। এই সুযোগে বাংলার তৃণমূলের দ্বারা পরিচালিত মিডিয়া, দেশের বামপন্থী মিডিয়াগুলি মোদী বিরোধী এজেন্ডা শুরু করে দিয়েছে। কিন্তু জনগণের আসল বিষয়বস্তু জানা উচিত যে পুরো চক্রান্ত করছে কংগ্রেস এবং রাজ্যের নামে হিন্দুদের ভাঙছে। বিজেপি সরকার কড়া হাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করছে এবং ৪০০ জন কংগ্রেস আতঙ্কবাদীকে গেপ্তার করেছে।