লোকসভা নির্বাচনে মোদীকে হারানোর জন্য চীন থেকে ২২ হাজার কোটি টাকার ফান্ড নিলো কংগ্রেস?

বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া তথ্য ও খবরের ভান্ডার হয়ে উঠেছে। দেশের দালাল মিডিয়া সাধারণ মানুষের কাছে থেকে যা লুকিয়ে রাখে তা সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ হয়ে যায়। রাহুল গান্ধী মানস সরোবরের যাত্রা করার সময় কাঠমান্ডুতে শুয়োর ও চিকেন খেয়েছিলেন। এই খবর প্রথমে সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রকাশ হয়েছিল। যারপর চাপে পড়ে মিডিয়া তথ্য যাচাই করতে বেরোয় এবং জানা যায় ঘটনাটি সম্পুর্ন সত্য। এখন আরো একটা বড়ো বিষয় সোশ্যাল মিডিয়ায় উঠে এসেছে যা নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। যদিও আমরা এই বিষয়ের সত্যতা আপাতত নিশ্চিত করছি না। সোশ্যাল মিডিয়ায় দাবি উঠেছে যে কংগ্রেস ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের জন্য ২২ হাজার কোটি টাকা ফান্ড পেয়েছে। ভারতের রাফেল ডিল আটকানোর জন্য এবং লোকসভা নির্বাচনে জয় লাভ করার জন্য চীন থেকে ২২ হাজার কোটি টাকার ফান্ড নিয়েছে বলে বড়ো অভিযোগ উঠতে শুরু হয়েছে। এটা সত্য যে চীন কখনোই চাই না যে ভারতে কাছে রাফেল আসুক , একইভাবে পাকিস্থানও চাই না ভারতে রাফেল আসুক।

কারণ ওই দুই দেশ মজবুত ভারতীয় সেনার বিরোধী। এই দুই দেশ কখনোই চাই না ভারতের সেনা আরো শক্তিশালী হয়ে উঠুক। বিশেষ করে চীনের রাষ্ট্রপতি জিনপিং মোদীকে নিয়ে বেশ সমস্যায় রয়েছে, কারণ সমস্থ স্তরে মোদী জিনপিংকে আছড়ে দিয়েছে। দুদিন আগেই মালদ্বীপে তার যোগ্য প্রমান পাওয়া গেছে। মালদ্বীপে চীন তাদের সমর্থিত রাষ্ট্রপতিকে জেতানোর জন্য ফান্ডিং থেকে শুরু করে কূটনীতি কোনদিকে কাজ করতে বাকি রাখেনি। কিন্তু মোদী ভারতের গুপ্তচর নামিয়ে বিষয়কে এমনভাবে নিয়ন্ত্রণে রেখেছিল যে শেষমেষ জনগণের ইচ্ছামত নির্বাচন হয়ে ভারতসমর্থিত রাষ্ট্রপতি জয় লাভ করে।

এছাড়াও ভারত জিডিপির দিক থেকেও চীনকে পেছনে ফেলে বিশ্বে নিজের পরিচয় উঁচু করতে শুরু করে দিয়েছে। এমনকি মোবাইল ও অন্যান্য ইলেক্ট্রনিক জিনিস তৈরিতেও ভারত স্বনির্ভরশীল হতে শুরু করেছে। মোবাইল উৎপাদনে ভারত বর্তমানে বিশ্বে ২য় স্থানে রয়েছে। যার জন্য মোদী সরকারকে হাঁটানোর সমগ্র প্রয়াস করছে চীন। রাহুল গান্ধী সম্প্রতি মানস সরোবরে সন্দেহভাজন যাত্রা করেছিলেন, যাত্রাকালীন উনি কোথায় ছিলেন এই তথ্য কারোর কাছেই নেই। প্রথমে উনি জালি ফটো টুইট করছিলেন পরে হটাৎ একদিন মানস সরবরে পৌঁছে যান এবং তারপরের দিন আবার ভারতে চলে আসেন।

এলহন আবার ২২ হাজার কোটি টাকা ফান্ডের যে বিষয় উঠে আসছে তা দেশের জন্য অত্যন্ত চিন্তাজনক। সবথেকে বড় বিষয় হচ্ছে, পাকিস্থানের সেনা ও রাজনেতারা খোলাখুলি রাহুল গান্ধীকে সমর্থন জানিয়েছে আর রাহুল গান্ধী দিল্লিতে লুকিয়ে চীনের রাজদূতের সাথে দেখা করতে এটাও সত্য।লোকসভা নির্বাচনে কিছু একটা বড় করতে হলে তার জন্য অর্থের অবশ্যই প্রয়োজন, বিশেষ করে মোদীর বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর জন্য টাকা ব্যাবস্থা কংগ্রেসকে করতে হবে।

কিন্তু নোটবন্দি ও একের পর এক রাজ্যে বিজেপির জয়ের জন্য কংগ্রেসের অর্থ ভান্ডার খালি হয়ে পড়েছে। এখন কংগ্রেসের ভবিষ্যত অন্ধকার বলে কেউ চাঁদা পর্যন্ত প্রদান করে না, সেই হিসেবে যাচাই করলে এত বড় দেশে ক্ষমতা বদলানোর প্রয়াস করতে হলে অবশ্যই ফান্ডের প্রয়োজন হবে। রাফেল নিয়ে দুর্নীতির কোনো প্রমাণ ছাড়াই কগ্রেস লাগাতার মোদী সরকারকে ঘিরে ফেলার চেষ্টা করছে, একইসাথে মিডিয়াও নিলজ্জের মতো ফ্রান্সের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির মিথ্যা বক্তব্য প্রচার করছে। যদিও পরে হল্যান্ড নিজে ভারতের মিডিয়ার মিথ্যা প্রচারের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন। এই কারণে সোশ্যাল মিডিয়ায় কংগ্রেসের উপর যে অভিযোগ উঠানো হয়েছে তা আরো তীব্রতর হতে শুরু করেছে।

পাঠকদের জন্য প্রশ্ন: কংগ্রেসে উপর এই অভিযোগ সত্য হওয়ার কতটা সম্ভাবনা রয়েছে?

Open

Close