Press "Enter" to skip to content

আতঙ্কবাদীদের অস্ত্র জোগান দেওয়ার জন্য কংগ্রেসের এই নেতাকে কে গ্রেপ্তার করলো ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি।

জৈন মুনি তরুণ সাগর একবার বলেছিলেন, পাকিস্থানে যত না আতঙ্কবাদী আছে তার থেকে বেশি বিশ্বাসঘাতক ভারতে রয়েছে। আসলে জৈন মুনিজির এই বক্তব্য দেশে সঠিকভাবেই খাপ খায়। আসলে ভারতের ইতিহাস সাক্ষী আছে যে ভারতীয়দের সাথে টক্কর নিতে বিদেশিরা কোনো দিনই পারেনি। শুধু মাত্র দেশের ভেতরে থাকা দেশদ্রোহীদের জন্যেই ভারতকে পরাধীন হতে হয়েছে। আর সেই ইতিহাসকে এখনো ধরে রেখেছে দেশের কিছু রাজনৈতিক দলের নেতারা। এখন যখন মোদীযুগে ভারত তরতর করে নিজেদের আর্থিক বৃদ্ধি করছে, সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করছে, সুরক্ষা ব্যাবস্থা কঠোর করে রাখার জন্য দেশের ভেতরে বিগত ৪ বছরে মুম্বাই হামলার মতো কোনো আতঙ্কবাদী হামলা হয়নি। তখন দেশের ভেতরে থাকা কিছু বিশ্বাসঘাতক দেশকে সন্ত্রাসবাদীদের কব্জায় ফেলে দিতে চাইছে।

আপনাদের জানিয়ে দি, MLA ইয়ামতুং হাওকিপকে গ্রেপ্তার করেছে। সন্ত্রাসবাদীদের হাতিয়ার জোগান দেওয়ার জন্য ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি কংগ্রেসি কংগ্রেসি নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে। ইয়ামতুং হাওকিপকে মনিপুরের কংগ্রেস MLA যিনি ৫৬ বন্ধুক ও এর থেকেও বেশি কিছু ম্যাগাজিন আতংকবাদীদের সাপ্লাই করার অপরাধে গ্রেপ্তার হয়েছে। মনিপুরে কংগ্রেস সরকার থাকাকালীনও উনি বিধায়ক পদে ছিলেন। সেই সময়েয় ইনি সরকারি অস্ত্রাগার থেকে ৫৬ এর বেশি বন্ধুক উধাও করে আতংকবাদীদের সরবরাহ করে দেন। এখন মনিপুরে বিজেপি আসার পর জানা যায় যে অস্ত্রভান্ডার থেকে ৫৬ টি বন্ধুক উধাও করে দেওয়া হয়েছে।

এরপর মোদী সরকার এই বিষয়ে NIA তদন্ত শুরু করায়। টানা তদন্তের পর NIA এই কংগ্রেসি নেতাকে গতকাল গ্রেপ্তার করে। ইম্ফল আদালতে কংগ্রেসি নেতাকে পেশ করার পর আদালত ইয়ামতুং হাওকিপকে হেফাজতে দেয়।কংগ্রেসের এই নেতা করছিল আর এই সন্ত্রাসবাদীরা এই হাতিয়ার ব্যাবহার করে মনিপুর ও অন্যান্য রাজ্যে নিজেদের নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করার সাথে সাথে সন্ত্রাস ছড়াচ্ছিল।

এখন বিধায়কের গ্রেপ্তার হওয়ার পর আর কিছু বড়ো পর্দাফাঁসের সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে। মনে করা হচ্ছে এবার আরো বড়ো বড়ো কংগ্রেসি নেতাদের মাথা সামনে আসবে যারা সন্ত্রাসবাদীদের সাথে লিপ্ত রয়েছে। কংগ্রেস নেতারকে আরো একবার প্রমাণ করে দিলো যে ভারতের জন্য চীন বা পাকিস্থান তত বড়ো শত্রু নয় যতটা কংগ্রেসের এই নেতার।