Press "Enter" to skip to content

হর্স ট্রেডিং থেকে কংগ্রেস বিধায়কদের বাঁচাতে জয়পুরের রাজকীয় হোটেলে রেখেছিলেন সনিয়া গান্ধী, খরচ প্রায় এক কোটি

জয়পুরঃ মহারাষ্ট্রে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে কংগ্রেস বিধায়কেরা জয়পুরের একটি লাক্সারি রিসর্টে গত ছয় দিন ধরে রাজার হালে রয়েছেন। দলের হাইকম্যান্ড সনিয়া গান্ধীর আদেশে সমস্ত কংগ্রেস বিধায়কদের জন্য রাজকীয় রিসর্টে থাকা খাওয়ার সুবন্দোবস্ত করে দেওয়া হয়েছিল। একটি অনুমান অনুযায়ী, ছয় দিনে কংগ্রেসের বিধায়কদের পিছনে ৭০ থেকে ৯০ লক্ষ টাকা খরচ করা হয়েছে। সবথেকে মজাদার ব্যাপার হল, হর্স ট্রেডিং থেকে বিধায়কদের বাঁচানোর জন্য পার্টির তরফ থেকে জয়পুরের এই রাজকীয় হোটেলে রাখা হয়।

এই রিসর্টে একটি প্রাইভেট ভিলার একদিনের খরচ ১৮ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা। মিডিয়া রিপোর্টস অনুযায়ী, কংগ্রেস বিধায়কদের যেই ভিলাতে রাখা হয়েছিল, সেখানকার ভাড়া প্রতিদিন ২৬ হাজার টাকা। ভিলার ভাড়া ছাড়াও খাওয়া দাওয়া এবং ভ্রমণের জন্য অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয়। অনুমান হিসেবে ভিলার ভাড়া খাওয়া দাওয়া আর ভ্রমনে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করা হয়েছে বিধায়কদের পিছনে।

কংগ্রেস বিধায়কদের যেই ভিলাতে রাখা হয়েছিল, সেটি জয়পুরে দিল্লী রোডে অবস্থিত। প্রথম চার দিনে মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক অস্থিরতা বিধায়করা ঘরে বসে টিভিতে দেখেছিলেন, তাঁরা হোটেল রুম থেকে বের হননি। বিধায়করা রিসর্টে থাকার সময় রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট, ছত্তিসগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভুপেশ বাঘেল সমেত কংগ্রেসের অনেক নেতাই সেখানে যান।

একদিন মহারাষ্ট্রের বিধায়কদের রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট নিজের আবাসে ডিনারে ডেকেছিলেন। এই ডিনার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রতিভা প্যাটেলের সন্মানে দেওয়া হয়েছিল। মহারাষ্ট্রে রাষ্ট্রপতি শাসন লাগু হওয়ার খবরের পর বিধায়কেরা রিসর্টের বাইরে বেরিয়ে জয়পুর ঘুরে দেখেন। কিছু বিধায়ক জয়পুরের আমোর ফোর্ট দেখার জন্য যান। আবার কোন কোন বিধায়ক শপিং এও যান। কিছু কংগ্রেস বিধায়ক ধার্মিক স্থল গুলোও পরিদর্শন করতে যান। কংগ্রেস হর্স ট্রেডিং থেকে বাঁচানোর জন্য তাঁদের বিধায়কদের জয়পুরে এই বিলাসবহুল হোটেলে রেখেছিল। কংগ্রেসের সমস্ত বিধায়কদের কড়া সুরক্ষা ব্যাবস্থার মধ্যে রাখা হয়।