সরকার গঠনের আগেই ছত্রিশগড়ে লুটপাট শুরু করে দিলো কংগ্রেস! অবাধে চলছে দুর্নীতি ও কমিশনখরি।

রাজস্থান, ছত্রিশগড় ও মধ্যপ্রদেশে বিজেপির সরকার ভালো কাজ করেছিল কিনা সেটা পরের কথা, এখন আপাতত জনগণ যাদের নির্বাচিত করেছে তাদের সরকারকে ৫ বছরের জন্য সময় দিতে হবে। এখন সরকার যেমনি হোক না কেন, জনগণকে নতুন সরকারের স্বাদ পেতেই হবে। ছত্তিশগড়ে জনগণ বিজেপির সরকারকে সরিয়ে কংগ্রেসের সরকারকে ক্ষমতায় এনেছে। যদিও ছত্রিশগড়ে এখনো নতুন মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা হয়নি। কোনো সরকার গঠন তো দূর শপদ সমারোহ পর্যন্ত হয়নি। তবে জনতার টাকার লুটপাট জমিয়ে শুরু করে দিয়েছে কংগ্রেস। সরকার গঠনের আগেই ছত্রিশগড়ে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে ‘লুটপাট যোজনা’ শুরু হয়ে গিয়েছে। ছত্রিশগড়ে ১৩ টি মন্ত্রী পদে মন্ত্রী বসা বাকি রয়েছে কিন্তু তাতে লুটপাট থেমে থাকবে না, এমনটাই সিধান্ত নিয়ে ফেলেছে কংগ্রেস।

ছত্রিশগড়ে বিজেপির রমন সিং এর সরকার থাকাকালীন একটা আইন তৈরি করেছিল। আইন অনুযায়ী, ৪০ হাজার টাকার উপরে কোনো বস্তুর বিক্রির জন্য নোটিস ও টেন্ডার বের করতে হবে, তথা সরাসরি বিক্রি হবে না। কিন্তু ছত্রিশগড়ে সরকার গঠন হতে না হতে সরাসরি বিক্রির খেল শুরু হয়ে গিয়েছে। কংগ্রেসের নেতারা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী জনতার টাকায় ১৩ টি লাক্সারি গাড়ি কেনার কাজ শুরু করেছে তাও আবার কোনো টেন্ডার বা কোনো নোটিশ ছাড়ায়।

রমন সিং এর সরকার ছত্রিশগড়ে দুর্নীতি আটকানোর জন্য নান পদক্ষেপ নিয়েছিল কিন্তু কংগ্রেস ক্ষমতায় আসতে না আসতেই লুটপাট শুরু করে দিয়েছে। হয়তো ছত্রিশগড়ের জনতাও এটাই চেয়ে হিউ যার জন্য বিজেপি সরকারকে ছুঁড়ে ফেলে কংগ্রেসেকে কাছে টেনে নিয়েছে। ছত্রিশগড়ে জনতাকে আগামী ৫ বছরের জন্য শুভ কামনা।

এখন তো সরকার গঠন বাকি রয়েছে, সরকার গঠন হলে আরো জমিয়ে খেলা দেখাবে কংগ্রেস সরকার। তার উপর মিশনারি ও নকশালবাদীদের উৎপাতকেও সহ্য করতে হবে ছত্রিশগড়ের জনতাকে। আসলে যে সমস্থ জনগণ সবকিছুই বিনা মূল্যে চাই তাদেরকে এখন কংগ্রেসকে সরকারকেই মেনে নিতে হবে।

Leave a Reply

you're currently offline

Open

Close