Press "Enter" to skip to content

‘সোনিয়া গান্ধীর কারণেই এতদিন ধরে ভারতে লালিত পালিত হচ্ছিল অবৈধ বাংলাদেশিরা!’

আমেরিকার কনস্যুলেটের এক উচ্চ আধিকারিক ২০১৬ সালের ১৬ ই ফেরুয়ারি উইকিলিকস নামে একটি লেখা লেখেন। সেই তথ্য অনুসারে সোনিয়া গান্ধী ২০০৬ সালে যে বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল আসামে তার আগে বাংলাদেশ থেকে আসা মুসলিম দের বলেছিল যে তাদের আর বাংলাদেশে ফেরত যাবার দরকার নেই তার জন্য তিনি নিজে বিদেশী আইনে সংশোধন করাবেন বলে জানিয়েছিলেন।
সুপ্রিম কোর্ট আইএমডিটি সেই আইনকে ২০০৫ সালে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে দিয়েছিল। কিন্তু সেই আইনে বাংলাদেশি দের আলাদা করে শনাক্ত করা খুব কঠিন কাজ হয়ে পড়েছিল, এবং তাদের কে খুঁজে বের করে পুনরায় সেই দেশে ফেরত পাঠানো ছিল খুব জটিল। যার ফলে সেই আইন কে সমর্থন করেছিল কংগ্রেস। এই সব নানা কারনে সেই সময় ওই আইনের মাধ্যমে এই দেশে থাকার সুরক্ষা পেয়েছিল ১৯৭১ সালে শরণার্থীদের হিসাবে আসা বাংলাদেশিরা।

উইকিলিকস-এ বলা হয়, সেই সময় কংগ্রেসের হাতে ছিল সেই আইন সংশোধন করে তাদের কে বাংলাদেশে পাঠানোর মত ক্ষমতা কিন্তু সেটা তারা করে নি, উলটে কংগ্রেস মুসলিমদের কাছে তাদের পছন্দসই দল হয়ে উঠার জন্য বরাবর মুসলিম তোষণ করে এসেছেন। তাই সেই সময় বাংলাদেশ থেকে আসা মুসলিম দের ফেরত পাঠানোর জন্য কংগ্রেস কোনো পদক্ষেপ নেই নি। বরং তারা যাতে এই দেশে বরাবরের জন্য থেকে যেতে পারে সেই ব্যাবস্থা করা হয়েছিল তখনকার কংগ্রেস দলের তরফ থেকে। আসলে কংগ্রেস বরাবর তাদের ফেরত পাঠানোর বিপক্ষে ছিল এর কারন হিসাবে উঠে আসছে ভোটব্যাংকের কথা।

এমনকি সেই বিধানসভা ভোটে ১৩ জন মুসলিম প্রার্থীকে কংগ্রেস ভোটে দাড় করায় তাদের দলের হয়ে। এর থেকেই বোঝা যায় যে কংগ্রেস প্রথম থেকে মুসলিম তোষন শুরু করে দেয় । কিরিপ চলিহা যিনি অসমের প্রাক্তন কংগ্রেসি বিধায়ক তিনি বলেন যে, আমি সবসময় এই অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে ছিলাম। তিনি আরও বলেন যে অনুপ্রবেশকারীরা দেশের বড় সমস্যা। এদের জন্য আমাদের দেশের প্রকৃত নাগরিকদের চরম ক্ষতি হচ্ছে।

তাই সবার উচিৎ হিন্দু মুসলিম বিতর্ক না করে এটাকে সমর্থন করা। নাহলে এদের জন্য পরে বড়সড় বিপদের সম্মুখীন হতে হবে দেশকে। সেই সাথে তিনি বলেন যে শুধুমাত্র ভোট ব্যাঙ্ক বাঁচানর জন্য এর বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগেছেন মমতা ব্যানার্জীর মত একজন নেত্রী। যেটা তার কাছে কোনো ভাবেই কাম্য নয়। বাংলাদেশিদের প্রতি প্রেমের জন্য একদিকে যেমন কংগ্রেসের লোকজন সোনিয়ার বিরোধিতা করছে। তেমনি তৃণমূল কংগ্রেসের বিরোধিতা করে আসামের তৃণমূল সভাপতি আজ ইস্তফা দিয়েছেন। উনি জানিয়েছেন যে মমতা দেশের বিরুদ্ধে গিয়ে অবৈধ বাংলাদেশিদের সমর্থন করছে, তাই এই দল ত্যাগ করলেন।

#অগ্নিপুত্র