Press "Enter" to skip to content

কেরলে যখন বন্যার তান্ডব চলছে তখন এই বামপন্থী নেতারা যা করলেন জানলে আপনিও রেগে লাল হবেন।

‘অতীতে যা বপন করবেন ভবিষ্যতে তারই ফলন পাবেন’- কেরলের জনগণ এখন বামপন্থী ও সেকুলারদের সেই ফলন ভালো ভাবেই পাচ্ছেন। কথাটা শুনতে খারাপ লাগলেও এটাই সত্য। যে ব্যক্তির ছবি আপনারা উপরে দেখতে পাচ্ছেন ইনার নাম মহম্মদ মুহসিন। ইনি কেরলের বাসিন্দা কিন্তু JNU থেকে পড়াশোনা করেছেন। JNU তে কানায়াকুমারের খুব ঘনিষ্ট ছিল এই মহম্মদ মুহসিন। ভারত ও হিন্দু বিরোধী কার্যকলাপেও বেশ সক্রিয় ছিল এই মহম্মদ মুহসিন। এনার গতিবিধির উপর লক্ষ রেখে বামপন্থী পার্টি সিপিআইএম এনাকে কেরলের পাতাম্বি সিট থেকে বিধায়কের টিকিট প্রদান করে।

পাতাম্বি সিটের জনতা যেখানে হিন্দু সংখ্যা বেশি তারা বামপন্থী ও তথাকথিত সেকুলার চিন্তাভাবনায় লিপ্ত হয়ে এই মহম্মদ মুহসিনকে নিজেদের বিধায়ক বানিয়ে নেন। এখন যখন পাতাম্বিতে বিশাল বন্যা এসেছে এবং জনগণনের ঘরবাড়ি তো দূর একবেলা খাবার পর্যন্ত জুটছে না তখন এই মোহমদ মুহসিন জার্মানিতে ছুটি কাটাতে ব্যাস্ত রয়েছে। মোহমদ মুহসিন যিনি নিজেকে সেকুলার ও খুবই সাধারণ বলে দাবি করতেন তিনি আজ জার্মানিতে হলিডেতে আনন্দফুর্তি করছেন।

এখন ভুলটা কি আর একা মহম্মদ মুহসিনের ? জনগণ বামপন্থী ও সেকুলারিজম চিন্তাধারায় মুগ্ধ হয়ে এই রকম বিশ্বাসঘাতক বিধায়ক বানিয়েছে তার ফল তো এখন হাতেনাতে পেতেই হবে। প্রসঙ্গত আপনাদের জানিয়ে দি, কেরলে যে প্রবল বন্যার তান্ডব চলছে তাতে কোনো বামপন্থী বা কংগ্রেসি বা মিশনারি সংগঠনগুলি উদ্ধারকাজে নামেনি। নেমেছে সেনা, NDRF ও রাষ্ট্রীয় সয়ংসেবকদের ২০ হাজার কার্যকর্তা। যে ভারতীয় সেনাকে বামপন্থীরা রেপিস্ট বলে সম্বোধন করতো সেই সেনাই আজ দেবদূত হয়ে জনগণের প্রাণ রক্ষা করছে।

যে সয়ংসেবকদের বামপন্থীরা আতঙ্কবাদী বলে অপমান করতো তারাই আজ নিজের প্রাণ দিয়ে উদ্ধারকাজে নেমে পড়েছে। প্রসঙ্গত জানিয়ে দি, কেরলে যে ২০,০০০ সয়ংসেবক নেমেছেন উদ্ধারকাজ চলাকালীন তাদের মধ্যে ৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন অন্যদিকে বামপন্থীরা ও কট্টরপন্থীরা সোশ্যাল মিডিয়ায় মোদী ও RSS কে গালাগালি করছে এবং কিছুজন জার্মানিতে হোলিডে কাটাচ্ছেন।