Press "Enter" to skip to content

ভুতের মুখে রামনাম!! এবার হিন্দুবিরোধিতা ছেড়ে CPIM ভোটের লোভে যা করলো জানলে আপনিও অবাক হবেন।

সিপিএম এমন একটা দল যারা তাদের উত্থানের পর থেকেই ভারতে হিন্দু ধর্ম বিরোধী কার্যকলাপ চালিয়ে হিন্দুধর্ম ও সঙ্গস্কৃতিকে বদনাম করার চেষ্টা চালিয়েছে। রাজনীতির ইতিহাসের এমন বহুবার দেখা গিয়েছে যখন বামফ্রন্ট হিন্দুধর্মের দেবদেবী নিয়ে মজা উড়িয়ে ভারতের সঙ্গস্কৃতিকে বদনাম করেছে। সবথেকে মজাদার ব্যাপার এই যে এই বামপন্থী নেতারা সীতারাম, কানায়াই এর মতো নিজেদের এমন হিন্দু নাম রাখত যা হিন্দুদেবদেবীর নামের সাথে জড়িত যা শুনে মনে হবে যে এরা আসল হিন্দু। আর এই ধরণের নামের আড়ালেই এরা হিন্দুবিরোধী প্রচার চালাতো। কিন্তু দেশে বিজেপির আসার পর থেকে এই সমস্থ ভন্ড হিন্দুনামধারী ব্যাক্তিদের মুখোশ খুলে গিয়েছে।

তাই সেখানের শাসক দল সিপিআইএম এবার ধর্মের পথে হাঁটছে। এবার সিপিআইএম কেরলে রামায়ণ মাস পালন করার প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করে দিয়েছে তার একমাত্র কারন হল বিজেপির হিন্দুত্ববাদকে টেক্কা দেওয়া। তারা ঠিক করেছে যে সেই রাজ্যের প্রতিটি জেলায় জেলায় তারা রামায়ণের ব্যাপারে প্রচার করার জন্য সন্মেলন ও সেমিনার করবে। রাজ্যের অনেক মন্দিরে মন্দিরে বিজেপির প্রভাব চরম বেড়েছে। তাই সিপিআইএম ঠিক করেছে যে তারা মন্দির ম্যানেজমেন্ট প্রতিনিধিদের সাথে দেখা করবেন যাতে সেই সব জায়গা থেকে বিজেপির প্রভাব কমাতে পারে।
কিন্তু সিপিআইএম পার্টির তরফ থেকে ঠিক করা হয়েছে যে তারা কোনো অনুষ্ঠানে সরাসরিভাবে যোগদান করবেন না। এই ব্যাপারে সমস্ত দায়িত্ব তারা তুলে দেবেন তাদের সাথে জড়িত ‘’সংস্কৃতি সঙ্ঘ” নামে একটি সংগঠন কে। আগামী ২৫ শে জুলাই সিপিআইএমের রাজ্য কমিটির তরফ থেকে মুলত রামায়ণ লেকচারের নিয়ে একটি সেমিনার করা হবে সেখানেই জানিয়ে দেওয়া হবে যে এই সব কিছুর দায়িত্বে থাকবে ‘’সংস্কৃতি সঙ্ঘ” নামে এই সংগঠন।

সেখানে তারা নিমন্ত্রণ করেছেন বিখ্যাত লেখক এবং সমালচক সুনীল.পি কে এবং তিনি সেখানে উপস্থিত থাকবেন বলেও জানা গিয়েছে।
সিপিআইএমের নেতারা ধার্মিক অনুষ্ঠান গুলো থেকে নিজেদের দূরে রেখে তারা এটাই বলতে চান যে তারা কখন ধার্মের নামে ভোট চান না। প্রশ্ন উঠছে এখণ এমন কি হলো যে হিন্দুধর্ম পালন করতে বাধ্য হচ্ছে সিপিম। তাহেল কি শেষমেষ হিন্দুত্বের শক্তির কাছে মাথা নামালো সিপিম
#অগ্নিপুত্র