Press "Enter" to skip to content

দিনের পর দিন কমছে পেট্রোল ডিজেলের দাম! নিশ্চুপ বিরোধী ও দেশের মিডিয়া।

দেশের মিডিয়াগুলি রাজনৈতিক দলগুলির কাছে নিজেদের কিভাবে বিক্রি করে দিয়েছে তার প্রমান আরো একবার হাতেনাতে মিললো। কিছু সপ্তাহ আগে আন্তর্জাতিক স্তরে ক্রুড অয়েলের দাম বৃদ্ধির জন্য ভারতেও ের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছিল। আর ইস্যুকে কেন্দ্র করে বামপন্থী ও কংগ্রেস মোদী সরকারকে ঘিরে ফেলতে নেমে পড়েছিল। একই সাথে দেশের বাম ও কংগ্রেস ঘনিষ্ট মিডিয়াও মোদীর বিরোধিতায় নেমে পড়েছিল। সেপ্টেম্বর মাসের দিকে মুম্বাইয়ের মতো শহরে তেলের দাম ৯০.৭৫ টাকা পর্যন্ত উঠে গেছিল।

সেই সময় বিশ্বের সমস্থ দেশগুলিতেই তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি খাদ্যমূল্য ও অন্যান্য প্রয়োজনী জিনিসপত্রের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছিল। তবে ভারত সরকারের ম্যানেজমেন্ট এর দরুন পেট্রোল ডিজেলের দাম বৃদ্ধি পেলেও খাদ্যদ্রব্যের দাম বৃদ্ধি পায়নি। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মিডিয়া যখন তেলের মূল্য বৃদ্ধিকে আন্তর্জাতিক ইস্যু বলে জানিয়েছিল তখন ভারতের মিডিয়া এটাকে মোদী সরকারের গাফিলতি বলে দাবি করেছিল।

মোদী সরকার একদিকে যখন লাগাতার তেলের মূল্যের উপর লাগাম টানার চেষ্টা চালাচ্ছিল তখন মিডিয়া ১ পয়সা মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে ক্ষোপ উগরে দিচ্ছিল। কিছু কিছু মিডিয়া ঘন্টার পর ঘন্টা ধরে পেট্রোলপাম্পে জনগণের মতামত নিতে এবং মানুষকে সরকারের বিরুদ্ধে উস্কানি দেওয়ার জন্য উপস্থিত হয়েছিল। কিন্তু এখন পেট্রোল ও ডিজেলের দাম যখন লাগাতার কমছে তখন মিডিয়া সম্পূর্ণ নিশ্চুপ।

জানিয়ে দি, বিগত কয়েক সপ্তাহ থেকে লাগাতার তেলের মূল্য কমে চলেছে। শনিবার দিন রাজধানীতে ডিজেলের দাম কমে হয়েছিলো ৭২ টাকা ৫৮ পয়সা এবং পেট্রোলের দাম ৭৭ টাকা ৮৯ পয়সা। একইভাবে কলকাতায় ডিজেলের দাম কমে হয়েছিল ৭৪ টাকা ৪৪ পয়সা এবং পেট্রোলের দাম হয়েছিল ৭৯ টাকা ৮১ পয়সা। গতকালের রিপোর্ট অনুযায়ী দিল্লীতে প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম কমে হয়েছে ৭৭.৫৬ টাকা এবং কলকাতায় হয়েছে ৭৯.৪৯ টাকা। দিল্লিতে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম কমে হয়েছে ৭২.৩১ টাকা।এবং কলকাতায় ডিজেলের দাম হয়েছে ৭৪.১৭ টাকা।

কংগ্রেস ও বামপন্থীরা দাবি করেছিল পুজোর পর পেট্রোল ও ডিজেলের দাম ১০০ টাকা পার করে যাবে। তবে হচ্ছে সম্পূর্ণ বিপরীত, তেলের দাম লাগাতর কমে চলেছে। তবে দেশের মিডিয়ার চোখে এই বিষয়টি পড়েনি। এক আধিকারিক জানিয়েছেন ইরান থেকে তেল আমদানির ক্ষেত্রে আমেরিকা নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নিয়েছে এই অবস্থায় তেলের দাম আরো কমার আশা রয়েছে।