Press "Enter" to skip to content

দিল্লী পুলিশের একশন শুরু! বামপন্থী ছাত্র নেতা কানায়া কুমার, উমর খালিদকে দেশদ্রোহী মামলায় জেলে ঢোকাতে পস্তুত পুলিশ।

দিল্লী পুলিশ কমিশনার অমূল্য পাটনায়ক JNU এর তথাকথিত বামপন্থী ছাত্রনেতা কানায়া কুমার ও তার সাথীদের উপর বড় পর্দাফাঁস করেছেন। অমূল্য পাটনায়ক জানিয়েছেন খুব শীঘ্রই কানায় কুমার, উমর খালিদ ও অনির্বান ভট্টাচার্য এর মতো দেশের উইপোকাদের উপর দেশদ্রোহ মামলা দায়ের করে জেলে ঢোকানো হবে। উনি বলেন এই মামলাকে অন্তিম রূপ দেওয়ার জন্য অনেক সময় লেগেছে কারণ এটা খুবই জটিল মামলা ছিল। বহু জনের বয়ান নেওয়ার জন্য পুলিশকে অন্য রাজ্যেও যেতে হয়েছিল। এই মামলা ২০১৬ সালের, যখন কানায়া কুমার, উমর খালিদ ও অনির্বান ভট্টাচার্য আতঙ্কবাদী আফজল গুরুর স্মরণে একটা কার্যক্রমের আয়োজন করেছিল।

IMG_20190110_195232

সেই সময় পুলিশ দেশদ্রোহী মামলায় এই ৪ জনকে গেপ্তার করেছিল।পরে রাজনৈতিক চাপে পুলিশ এই বামপন্থী ছাত্রনেতাদের ছাড় দেয়। আতঙ্কবাদী আফজল গুরু ২০০১ সালে হওয়া সাংসদ হামলার জন্য দোষী ছিল, যে ঘটনা পুরো ভারতীয় সমাজকে কাঁপিয়ে তুলেছিল।ডিসেম্বর ২০১৮ তে দিল্লী পুলিশ ড্রাফ চার্জ সিট বানিয়ে ফেলেছিল। এই চার্জসিটে উমর খালিদ ও কানায়া কুমারকে মুখ্য দোষী বলে ঘোষিত করা হয়েছিল। উমর খালিদ ও কানায়া কুমারের দ্বারা আয়োজিত কার্যক্ৰমে, ভারত তেরে টুকরে হঙ্গে ইনশাল্লাহ, আফজাল তেরে কাতিল জিন্দা হ্যায়, ছিনকে লেঙ্গে আজাদী, এর মত শ্লোগান দেওয়া হয়েছিল। এই সমস্ত শ্লোগান আতঙ্কবাদী আফজল গুরুর সমর্থনে দেওয়া হয়েছিল  ।ভারতের সাংসদ হামলার জন্য দোষী জিহাদি আতঙ্কবাদী আফজল গুরুর সমর্থনে এই শ্লোগান দেওয়া হয়েছিল।

IMG_20190110_195312

জানিয়ে দি, ভারতের আদালত এই আফজল গুরুকে ফাঁসির সাজা শুনিয়েছিলো। ২০১৬ সালে কার্যক্রম করার পর পুলিশ বামপন্থী ছাত্রনেতা বলে পরিচিত দেশদ্রোহী উইপোকাদের গ্রেপ্তার করেছিল। কিন্তু দেশকে খোলসা করে দেওয়া এই উইপোকাদের গ্রেপ্তার হওয়ার পর দেশের তথাকথিত বুদ্ধিজীবী, কংগ্রেসের বড় বড় নেতা, আম আদমি পার্টির কেজরিওয়াল, বামপন্থী ও কট্টরপন্থীরা মিলে আন্দোলন শুরু করে দিয়েছিল। একই সাথে এই নেতারা অভিব্যাক্তির স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হচ্ছে বলে মোদী সরকারের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে অভিযান চালিয়ে ছিল।এখন এই নেতাদের দেশ নিয়ে কেমন মানসিকতা তা যেকোন সুষ্ঠ ব্যাক্তি সহজেই বুঝতে পারবে |তবে এবার দিল্লী পুলিশ উপযুক্ত প্রমান হাতে নিতে সমস্ত রিপোর্ট তৈরি করে মাঠে নামতে চলছে।

IMG_20190110_204114.jpg

ঠিক ২০১৯ নির্বাচনের আগে এমন সংকেত আসার জন্য বামপন্থী গ্যাং একটু হতাশায় রয়েছে। কানায়া কুমার২০১৯ লোকসভা নির্বাচন বেগুসরাই থেকে লড়তে চলেছে।পাঠকদের কাছে প্রশ্ন আপনাদের মতে কানাইয়া কুমারের মত ব্যক্তিকে কি দেশদ্রোহী বলা চলে ? আর এর মত ব্যক্তিকে কি আমাদের দেশে রাখা উচিত ?

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.