Press "Enter" to skip to content

পাকিস্থানের অর্থব্যাবস্থা তলানিতে! মোদীর নোটবন্দির কারণেই আজ পাকিস্থান ভিখারী দেশ।

পাকিস্থান এখন সম্পূর্ণ ভিখারি দেশে পরিণত হয়েছে এর পেছনে অনেকগুলি কারণ আছে কিন্তু সবথেকে বড়ো ও মুখ্য কারণ হলো নোটবন্দি। ২০১৬ সালে যে নোটবন্দি করা হয়েছিলো তার জন্যেই পাকিস্থান মূলত আজ ভিখারির দেশে পরিণত হয়েছে। পাকিস্থানের সবথেকে বড়ো ব্যাবসা ছিল ের জালি নোট তৈরি করা এবং সেই নোট ের বাজারে পাচার করা। পাকিস্থানে খোলাখুলি জালি নোটের ফ্যাক্টরি ছিল। ২০১৬ এর আগে ের ৫০০ ও ১০০০ এর নোট বেশি সুরক্ষিত ছিল না যার কারণে খুব সহজে জালি নোট তৈরি করা যেত। পাকিস্থান ে জালি নোট ঢুকিয়ে তার বদলে আসল নোট নিত এবং সেই টাকায় তাদের প্রধান ইকোনমি চলতো। উদাহরণসরূপ ১০০ টাকার জালি নোট ের ৩০ টাকার আসল নোটের সাথে বদলি করতো পাকিস্থানের এজেন্টরা।

এইভাবে ভারতের নোটের জালি নোট তৈরি করে পাকিস্থানের সেনা ও ইকোনমি চলতো একথা তৎকালীন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরাও বলেছিলেন। ভারতে যখন প্রধানমন্ত্রী মোদী নোটবন্দির ঘোষণা করেছিলেন তখন পাকিস্থানের কিছু ব্যবসায়ী আত্মহত্যা করেছিলেন যার মধ্যে সারাগান জাভেদের ঘটনা খুব ভাইরাল হয়েছিল। জাভেদ পাকিস্থানে ভারতীয় জালি নোট তৈরি করতো, নোটবন্দির পর সে করাচির সায়না টাওয়ার থেকে ঝাঁপ দিয়েছিল।

ভারতের দালাল মিডিয়াগুলি ঘটনাকে লোকানোর চেষ্টা করলেও সোশ্যাল মিডিয়ায় ও দেশের গুটিকয়েক মিডিয়ার জন্য ঘটনা সবার সামনে এসেছিল। ভারতে জালি নোট পাচারের উপর পাকিস্থানের অর্থব্যাবস্থা দাঁড়িয়েছিল। একইভাবে এই টাকাতেই পাকিস্থান ভারতের বড়ো বড়ো শহরগুলিতে জঙ্গি হামলা করতো। লক্ষণীয় বিষয় যে মোদী সরকার আসার পর থেকে ভারতের একটাও শহরে জঙ্গি হামলা ঘটাতে পারেনি পাকিস্থান।

নরেন্দ্র মোদী কূটনীতির মাধ্যমে আমেরিকা থেকে প্রাপ্ত সমস্থ অর্থের উপর ব্যান লাগিয়ে দিয়েছে। এই কারণেও পাকিস্থানের কোমর ভেঙে পড়েছে। তবে পাকিস্থানের ভিখারি হওয়ার মূল কারণ আজ থেকে ঠিক ২ বছর আগে হওয়া নোটবন্দি। এখন পাকিস্থানের অবস্থা এমন যে চীন, সৌদি আরবের মতো দেশের কাছে গিয়ে হাত পাততে হচ্ছে পাকিস্থানকে। ইমরান খান পাকিস্থানিদের নতুন পাকিস্থান গড়ার আশা দেখিয়েছিলেন। কিন্তু এখন পাকিস্থানের সরকারকে একটা বাঁধ তৈরির জন্যেও জনতার কাছে হাত পাততে হচ্ছে।