Press "Enter" to skip to content

মেয়ের সম্মানের জন্য প্রতিবাদ করেছিল ধ্রুব ত্যাগী, ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করলো মহম্মদ আলম ও তার আব্বু জাহাঙ্গীর।

দিল্লী থেকে একটা খবর সামনে আসছে যা দালাল মিডিয়া ধামাচাপা দেওয়ার বহু প্রয়াস করছে। যেহেতু দেশে লোকসভার নির্বাচন চলছে তাই এই সময় খবর লুকিয়ে রাখা বা ধামাচাপা দেওয়া মিডিয়ার কাছে কোনো ব্যাপার নয়। প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, দিল্লীর মতিনগর এলাকায় ধ্রুব ত্যাগী নামক ৫১ বছরের এক হিন্দু ব্যক্তিকে মেরে ফেলা হয়েছে। একইসাথে উনার ১৯ বছরের ছেলেকে আধমরা করে দেওয়া হয়েছে, সে হাসপাতালে এখন মৃত্যুর সাথে লড়াই করছে।

মতিনগর এলাকায় ধ্রুব ত্যাগী তার পরিবারের সাথে বসবাস করতেন। উনার মেয়েকে প্রতিবেশীতে থাকা মহম্মদ আলম জ্বালাতন করতো। জিহাদী মহম্মদ আলমের সাহস এতটাই বেড়ে গেছিল যে ধ্রুব ত্যাগীর কন্যাকে নোংরা নোংরা ইঙ্গিত করতো। শেষমেষ ধ্রুব ত্যাগী বিরক্ত হয়ে মহম্মদ আলমের বাবা জাহাঙ্গীরের কাছে অভিযোগ জানাতে গেছিলেন।

কিন্তু অভিযোগ শুনে জাহাঙ্গীর উল্টে ধ্রুব ত্যাগীর উপর চড়াও হয়। জাহাঙ্গীর ও তার ছেলে মহম্মদ আলম বাড়ি থেকে পশু কাটার অস্ত্র বের করে আনে। একইসাথে জাহাঙ্গীর ও আলম তার কিছু সাথীদের ডাক দেয় এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে ধ্রুব ত্যাগীর উপর আঘাত হানে। ধ্রুব ত্যাগীর ছেলে উনাকে খুঁজতে এলে দেখে যে জিহাদীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার বাবাকে মারছে।

বাবাকে বাঁচানোর জন্য ছেলে বাবার উপর শুয়ে পড়ে, কিন্তু জিহাদিরা তার উপরেও অস্ত্র চালিয়ে দেয়। ৫১ বছরের ধ্রুব ত্যাগীর প্রাণ চলে যায় এবং উনার ছেলে এখন হাসপাতালে। কিন্তু কেজরিওয়ালের মতো কোনো নেতা হাসপাতালে যায়নি। দু একটা মিডিয়া বাদে বেশিরভাগ মিডিয়া খবর ধামাচাপা দিয়েছে। অবশ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় সাধারণ মানুষ এনিয়ে প্রতিবাদের ঝড় তুলেছে। মিডিয়া যেভাবে ডায়মন্ড হারবার থেকে হিন্দু বিতাড়নের ঘটনা লুকিয়েছে, সেই একইভাবে এই ঘটনাকেও ধামাচাপা দিয়ে দিয়েছে।