এটাই পার্থক্য! চীনের এক হুমকিতে মনমোহন সড়ক নির্মাণ বন্ধ করেছিল, মোদী আমেরিকার হুমকির পরেও .

মোদী সরকারের ৪ বছর পূর্ণ হয়েছে এর মধ্যে বিরোধিদের মুখের সুরু বদলাতে শুরু করেছে। এতদিন যে কংগ্রেস বিকাশ হচ্ছে না বলে দাবি তুলতো তা এখন অন্য প্রশ্ন করছে। কংগ্রেসের এখন বক্তব্য- বিকাশ মনমোহনের আমলেও হয়েছে কিন্তু মোদী আমলে নতুন কি হয়েছে। এখন দেখে নেওয়া যাক কি পরিবর্তন এসেছে।

মনমোহন আমলে-
১. চীনের এক ধমকে ভারত অরুনাচল প্রদেশ যাত্রা বাতিল করে দিয়েছিল।
২. দ্বিতীয় ধমকিতে চীনের কাছে তৈরি করা সড়ক নির্মাণ মনমোহন সরকার বন্ধ করেছিল।
৩. চীন ব্রহ্মপুত্র নদের উপর দুটি বাঁধ নির্মাণ করে নিয়েছিল।
৪. আমেরিকার ধমকে ইরান থেকে তেল আমদানি বন্ধ করে দিয়েছিল।
৫. লিখিত চুক্তিতে মনমোহন সরকার স্বীকার করেছিল- ভারত, পাকিস্থানে আতঙ্কবাদ ছড়িয়ে দিচ্ছে।
৬. মনমোহন সরকার মন্তব্য করেছিল যে ভারতের সমস্ত সম্পদের উপর প্রথম অধিকার মুসলিমদের।

 

অন্যদিকে আজকের প্রধানমন্ত্রী মোদির আমলে-
১. প্রতিবেশী ভুটানের জন্য চীনের চোখে চোখ রেখে ভারত পাহাড়ের মতো দাঁড়িয়ে রয়েছে।
২. আমেরিকার হুমকির পরেও ভারত ইরান থেকে তেল আমদানি করছে।
৩. আমেরিকার হুমকিতে অট্টহাসি হেসে রুশের সাথে S-400 এর চুক্তি করে নিয়েছে।
৪. পুরো বিশ্বের কাছে পাকিস্থানকে আতঙ্কবাদী প্রমান করে, আমেরিকা থেকে আসা অর্থ সাহায্য বন্ধ করিয়ে দিয়েছে। আমেরিকায় সবজেনেও পাকিস্থানের সাহায্য করতো কিন্তু মোদী পুরো বিশ্বের কাছে পাকিস্থানের এমন পর্দাফাঁস করেছে যে অর্থ সাহায্য বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে আমেরিকা।
৫. ঘর ঘর থেকে আফজল বের করা সমর্থকদের মন্দিরে মন্দিরে ঘুরিয়ে হিন্দু সাজতে বাধ্য করেছে।

এটাই পরিবর্তন, ভারতের স্বভিমানের ফিরে এসেছে মোদী আমলে। মনমোহনের আমলে, মনমোহন সিং নিজে ইতালির সোনিয়ার গোলাম হয়ে থাকতেন এবং দেশকেও গোলাম করে রেখেছিলেন। এখন ভারত নিজের মর্যাদা ফিরে পেয়েছে। এই অন্তর ভারতীয়দের বোঝা উচিত নাহলে আবার কংগ্রেস ক্ষমতায় এসে হিন্দুদের আতঙ্কবাদী ঘোষণা করবে এবং তথাকথিত সংখ্যালঘুদের মাথায় তুলে রাখবে।

you're currently offline

Open

Close