Press "Enter" to skip to content

বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ অনুব্রত মন্ডলকে এমন কথা বললেন যার পর মুখ লুকাবার জায়গায় খুঁজবে তৃণমূল সমর্থকরা।

সোমবার বিজেপির তরফে সাংবাদিক সম্মেলন করা রাজ্য বিজেপির সদর দফতরে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য সভাপতি । তিনি এই দিন সাংবাদিক সম্মেলনে তৃনমূল নেতা অনুব্রত মন্ডলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন। এইদিন কাঁকরতলা যেটি বীরভূম জেলায় অন্তর্গত সেখানকার ের লোকাল অফিসে একটি বড়ো বিস্ফারণ হয় এবং সেই বিস্ফারনে উড়ে যায় তৃনমূলের দলীয় দফতরের ছাদ। কার্য্যালয়ের জানলা দরজা সবকিছু উড়ে গিয়ে বাইরের রাস্তাতে পড়ে। এই ঘটনার দোষ ঢাকতে বীরভূমের জেলা সভাপতি বিজেপির উপর দোষ চাপিয়ে দেন। তিনি দাবি করেন যে, ঝাড়খণ্ড থেকে লোক এনে এই সমস্ত বিস্ফারণ করছেন। ের এই দাবির জবাবে বিজেপির রাজ্য সভাপতি পাল্টা বলেন যে, তৃনমূলের বীরভূম জেলার সভাপতি করিৎকর্মা জানা প্রতিভাবান লোক।

তিনি রোজই কিছু না কিছু নুতন নুতন উদ্ভট তত্ত্ব খাড়া করছেন। এখন কি উনি রাত ছেড়ে দিনের বেলাতেও গাঁজা খাওয়া শুরু করেছেন। যদি ঝাড়খণ্ড থেকে লোক এসে বিস্ফারণ করে থাকে তাহলে পুলিশ কেন তাদের মধ্যে একজনকেও গ্রেফতার করছেন না। নাকি এখন পুলিশও গাঁজা খাওয়া শুরু করে দিয়েছেন। পার্থ চট্টোপাধ্যায়, ববি হাকিম এরা সবাই এই একই গল্প বলছেন এখন। এখন রাজ্যের লোক এই সকল শুনে এদের কে নিয়ে হাসাহাসি শুরু করে দিয়েছে এটা এরা জানে না।

এর পাশাপাশি এই দিন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দাবি করেছেন যে, এখন বোমা তৈরীর কারখানা হয়ে উঠেছে তৃনমূলের পার্টি অফিস গুলি। যে সকল যায়গায় এই রকম বিস্ফারণ ঘটছে সেখানেই দেখা যাচ্ছে যে তৃনমূল জড়িত। সেই সাথে তিনি এটাও দাবি করেছেন যে, বর্তমান দিনে সমস্তরকম অসামাজিক কাজকর্মের সাথে যুক্ত রয়েছে তৃনমূলের পার্টি অফিস গুলি। দিনের পর দিন এইরকম ঘটনা ঘটছে অনেক মানুষ মারা যাচ্ছে কিন্তু পুলিশ হাত গুটিয়ে বসে রয়েছে।

কাউকে গ্রেফতার করছে না। অন্যদিকে মিথ্যা মামলায় বিজেপি কর্মীদের জেলে ঢোকানোর ক্ষেত্রে পুলিশ যথেষ্ট তৎপরতা দেখাচ্ছে। কিছুদিন আগে গাঁজা কেসে বিজেপি কার্যকর্তাদের জেলে ঢোকানোর কথা বলেছিলেন অনুব্রত মন্ডল। এখন সেই ভিত্তিতেই অনুব্রত মন্ডলকে গাঁজা খোর বলেন ের দিলীপ ঘোষ। দিলীপ ঘোষ অনুব্রত মন্ডলকে গাঁজা খোর বলার পর ওপর দিক থেকে কোনো জবাব আসেনি। সম্ভবত এই নিয়ে আর কথা বলবার সাহসও নেই অনুব্রতের কারণ গাঁজা কেসে ফাঁসিয়ে দেয়ার হুমকি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ ভাইরাল হয়েছিল, যদিও মাঝের হাট ব্রিজ ভেঙে যাওয়ার পর সেই ইস্যু একটু ধামাচাপা পড়ে যায়।

#অগ্নিপুত্র