Press "Enter" to skip to content

এই বিশ্বাসঘাতক দিয়েছিল ভগত সিং এর বিরুদ্ধে সাক্ষী! যারপর উনাকে ফাঁসি দিয়েছিল ইংরেজরা।

বর্তমানে স্কুল, কলেজের পাঠ্যবইতে ভারতের ইতিহাস সম্পর্কে যা পড়ানো হয় তার থেকে আসল ইতিহাস অনেকটাই আলাদা। আসলে ভারত স্বাধীন হওয়ার পর থেকে ও কংগ্রেস মিলে ভারতের ইতিহাসকে বিকৃত করেছে। পাঠ্যপুস্তকে সেই সব লোকেদের গুনগান করা হয় যারা ইংরেজদের পা চাটতেন। অন্যদিকে আসল নায়কদের ইতিহাসকে লুকিয়ে দেওয়া হয়েছে ভারতের পাঠ্যপুস্তক থেকে। জানিয়ে দি, ভারতের ইতিহাস পাঠ্যপুস্তকে ভগত সিংকে নিয়ে বেশিকিছু লেখা না থাকলেও এটা প্রত্যেক দেশভক্ত জানে যে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে উনার অবদান কত বড়ো ছিল। ভগত সিং ইংরেজদের অবস্থা এমন করেছিল যাতে তারা বুঝে ছিল ভগত সিংকে না সরাতে পারলে ভারতে শাসন করা যাবে না। তবে ভগত সিংকে ধরে ফেলা এত সহজ কাজ ছিল না। কিন্তু ভারতের এক বিশ্বাসঘাতকের কারণে ভগত সিংকে ইংরেজরা ফাঁসিতে ঝুলিয়ে ছিল।

যখন ভগত সিং, সুখদেব ও রাজগুরু এসেম্বলিতে বোম ছুঁড়েছিল তখন সেখানে এমন দুই ভারতীয় ছিল যারা টাকার লোভে এই মহান দেশপ্রেমীদের বিরুদ্ধে সাক্ষী দিয়েছিল। সেই দুই ভারতীয়দের নাম শোভা সিং ও শাদী লাল। এই দুইজন ভগত সিং , রাজগুরু ও সুখদেবের বিরুদ্ধে সাক্ষী দিয়েছিল এবং ফাঁসির মুখে ঠেলে দিয়েছিল। প্রসঙ্গত জানিয়ে দি, গান্ধীজি এই তিন দেশপ্রেমিকের ফাঁসি আটকাতে পারতেন।

ভগত সিং

কিন্তু উনি বলেছিলেন যে চরমপন্থীদের ফাঁসি তিনি আটকাবেন না। শেষমেষ দুই বিশ্বাসঘাতকের জন্য তিন দেশপ্রেমিককে বলিদান দিতে হয়। পরে ইংরেজরা দুই বিশ্বাসঘাতককে প্রচুর পরিমান অর্থ ও সম্পত্তিও প্রদান করেছিল। আজও এই বিশ্বাসঘাতকদের পরিবারের কাছে চিনি মিল ও বড়ো বড়ো মদের কারখানা রয়েছে।

শাদী লালের মৃত্যুর পর পুরো গ্রামের কেউ তার জন্য কাফন দেয়নি। কারণ গ্রামবাসী সকলেই জানতো যে শাদী লাল ও শোভা সিং এর জন্য তিন দেশপ্রেমিককে বলিদানি হতে হয়েছে। শোভা সিং এর মৃত্যুর পর তার ছেলে বাবর ভুলকে লুকিয়ে রাখার জন্য বেশ কিছু পরিকল্পনা ফেঁদেছিলো , সবগুলোই ব্যার্থ হয়েছে। অনেকে গান্ধীজিকে ভগত সিং, রাজগুরু ও সুখদেবের ফাঁসির জন্য দোষারোপ করেন কারণ উনি(গান্ধীজি)চাইলে ফাঁসি আটকাতে পারতেন। তবে গান্ধীজি অহিংসার পূজারী ছিলেন বলেই ফাঁসি আটকাননি বলে দাবি করেন ইতিহাসকাররা।